সর্বশেষ
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নির্বাচনের আগের রাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকলো এনসিপি
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টায় দলের বাংলামোটর কার্যালয়ে। এতে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সেক্রেটারি মনিরা শারমিন।
রাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি অনলাইন ডেস্ক
রাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
অনলাইন ডেস্ক
জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা অফিসে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।
তবে সংবাদ সম্মেলনের নির্দিষ্ট এজেন্ডা বা আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। দলটির পক্ষ থেকে বিষয়টি ‘জরুরি’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও কী কারণে এই সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি, কিংবা সাম্প্রতিক জাতীয় ইস্যুগুলোর প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ কোনো ঘোষণা আসতে পারে — যদিও এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।
উল্লেখ্য, বিএনপি সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, সাংগঠনিক অবস্থান, অথবা জাতীয় ইস্যুতে নিজেদের মতামত তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে।
সংবাদ সম্মেলনে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে পরবর্তী আপডেটের জন্য চোখ রাখুন।
পড়ার সঠিক কৌশলই বদলে দিতে পারে আপনার ফলাফল।
✒ “একটি কলম পারে একটি জাতিকে জাগিয়ে তুলতে,
একটি চিন্তা পারে একটি প্রজন্মকে আলোকিত করতে।”
📖 পড়ার সঠিক কৌশলই বদলে দিতে পারে আপনার ফলাফল।
Gallery

- ✔ স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কার্যকর কৌশল
- ✔ মনোযোগ বাড়ানোর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি
- ✔ অল্প পড়ায় ভালো রেজাল্ট লাভের কৌশল
- ✔ ভুয়া তথ্য চিনে নেওয়ার সহজ নিয়ম
- ✔ লেখালেখি ও আয় করার সুফল
✒ “একটি কলম একটি জাতিকে জাগিয়ে তুলতে পারে, একটি চিন্তা একটি প্রজন্মকে আলোকিত করতে পারে।”
📖 আজই সংগ্রহ করুন📞 যোগাযোগ: +880 1518 38 35 66
📧 ই-মেইল: welftion.help@gmail.com
জুলাই সনদ ও ‘হা’ ভোট প্রসঙ্গে আলেমসমাজে ভিন্নমত, শর্তসাপেক্ষ সমর্থনের আলোচনা
বিশ্লেষক ও ধর্মীয় অঙ্গনের পর্যবেক্ষকদের মতে, যেসব আলেম ‘হা’ ভোটের পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন, তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে একটি শর্তসাপেক্ষ বা প্রেক্ষাপটনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট। সংশ্লিষ্ট আলেমদের অনেকে সরাসরি ও নিঃশর্ত সমর্থনের পরিবর্তে নির্দিষ্ট বাস্তবতা ও সম্ভাব্য ফলাফলের আলোকে মতামত তুলে ধরেছেন।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব, সম্মানিত শায়খ আব্দুল মালেক (দা.বা.) এ বিষয়ে পূর্ববর্তী আলোচনাগুলোতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়। তাঁর বক্তব্যের সারাংশ অনুযায়ী, যদি এমন কোনো কাঠামো বা প্রক্রিয়া থাকত যেখানে জনগণ ইতিবাচক বিষয়গুলো গ্রহণ এবং বিতর্কিত অংশগুলো পৃথকভাবে বিবেচনার সুযোগ পেত, তাহলে সেটি অধিক গ্রহণযোগ্য হতে পারত। তবে সব বিষয়কে একত্রে সমর্থনের প্রশ্নে তিনি সতর্ক অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।
ধর্মীয় অঙ্গনের বিভিন্ন মহলের মতে, একটি সাধারণ ভুল ধারণা হলো—আলেমসমাজ নাকি আলোচিত সনদের বিতর্কিত দিকগুলো অস্বীকার করছেন। বাস্তবে অনেক আলেমই সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি, অস্পষ্টতা কিংবা ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এক্ষেত্রে আলেমসমাজের ভেতরে দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।একটি পক্ষের যুক্তি—রাজনৈতিক বাস্তবতায় কিছু বিতর্কিত বা সমস্যাসঙ্কুল দিক পরবর্তীতে সংশোধনযোগ্য হতে পারে, বিশেষ করে যদি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক শক্তি ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারণী অবস্থানে আসে।
অন্যদিকে, আরেকটি পক্ষ আশঙ্কা প্রকাশ করছে—একবার কোনো কাঠামো বা নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক প্রভাব, কূটনৈতিক চাপ কিংবা সেকুলার নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে তা পরিবর্তন করা জটিল হয়ে উঠতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মতভিন্নতা মূলত নীতিগত ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য, যা গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবেই বিবেচিত। আলেমসমাজের অভ্যন্তরীণ আলোচনা ও মতপার্থক্য ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারস্পরিক সম্মানকে প্রভাবিত করে—এমন কোনো দৃশ্যমান ইঙ্গিত নেই বলেও সংশ্লিষ্ট মহলগুলো মন্তব্য করেছে।
ধর্মীয় ও সামাজিক পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আলেমসমাজ ঐতিহ্যগতভাবেই ভিন্নমতের মধ্যেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সংস্কৃতি বজায় রেখেছে। নীতিগত দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা সামাজিক অবস্থানে স্থায়ী দূরত্ব সৃষ্টি হওয়া বিরল ঘটনা।
এদিকে নাগরিক মহলের অনেকে মনে করছেন, রাষ্ট্র ও সমাজসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপরই বর্তায়। দলীয় পরিচয় বা আবেগের পরিবর্তে যোগ্যতা, নৈতিকতা ও সামষ্টিক কল্যাণের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বানও বিভিন্ন আলোচনায় উঠে আসছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিষয়টি কেবল রাজনৈতিক বিতর্ক নয়; বরং এটি একটি বৃহত্তর সামাজিক, আদর্শিক ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রদর্শন সংশ্লিষ্ট আলোচনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।





















