📘 আল তৌফিকী পরিবার সংবিধান
Al Towfiqi Family Constitution — প্রতিষ্ঠাতা: তৌফিক সুলতান
📸 আল তৌফিকী পরিবারের স্মৃতিময় মুহূর্ত
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
"ঈমান • ইলম • ইনসাফ • ঐক্য • ইখলাস • খেদমত"
📜 প্রস্তাবনা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর ওপর। আল তৌফিকী পরিবার সংবিধান একটি মুসলিম পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি পারিবারিক পরিচয়, নৈতিকতা, শিক্ষা, নেতৃত্ব, অর্থনীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা, সামাজিক কল্যাণ এবং প্রজন্মান্তরের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য প্রণীত একটি পারিবারিক দলিল।
অধ্যায় ১: পরিবার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
অনুচ্ছেদ ১: মূল উদ্দেশ্য
১. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। ২. ঈমানদার ও চরিত্রবান প্রজন্ম গড়ে তোলা। ৩. কোরআন ও সহিহ সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপনে উৎসাহিত করা। ৪. পরিবারের সদস্যদের বিপদে পাশে দাঁড়ানো। ৫. জ্ঞান, শিক্ষা ও গবেষণাকে উৎসাহিত করা। ৬. হালাল উপার্জন ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা তৈরি করা। ৭. ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার চর্চা করা।
অধ্যায় ২: আকীদাহ ও মৌলিক নীতিমালা
অনুচ্ছেদ ২: ঈমানের ভিত্তি
পরিবারের সদস্যরা— ১. আল্লাহর একত্বে বিশ্বাস করবে। ২. মুহাম্মদ ﷺ-কে আল্লাহর সর্বশেষ রাসূল হিসেবে বিশ্বাস করবে। ৩. আল-কোরআনকে আল্লাহর কিতাব হিসেবে মানবে। ৪. সহিহ সুন্নাহ অনুসরণের চেষ্টা করবে। ৫. শিরক, কুসংস্কার ও স্পষ্টভাবে হারাম কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবে।
সত্য কোনো ব্যক্তির কারণে সত্য নয় এবং কোনো ব্যক্তির কারণে মিথ্যাও নয়।
অধ্যায় ৩: পারিবারিক পরিচয় ও নামকরণ বিধি
"আল তৌফিকী" পারিবারিক পরিচয়
সকল সন্তানের নামের শেষে "আল তৌফিকী" যুক্ত হবে। প্রতিষ্ঠাতার সরাসরি সন্তানদের নাম: সুলতান তাজরিয়ান আল তৌফিকী ইবনে তৌফিক, উসমান আল তৌফিকী বিন তৌফিক, মারিয়াম আল তৌফিকী বিনতে তৌফিক ইত্যাদি।
অধ্যায় ৫: পরিবার প্রধান ও নেতৃত্ব
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান
তৌফিক সুলতান পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ভবিষ্যতে নেতৃত্ব নির্ধারণে যোগ্যতার ক্রম: ইলম → তাকওয়া → ইনসাফ → আমানতদারিতা → নেতৃত্বের সক্ষমতা → জ্যেষ্ঠতা।
অধ্যায় ১০: আল তৌফিকী পারিবারিক ফান্ড
"বাইতুল মাল আল তৌফিকী"
প্রত্যেক উপার্জনক্ষম সদস্য তার মাসিক মোট আয়ের সর্বনিম্ন ৭% পারিবারিক ফান্ডে জমা দিবেন। ফান্ড থেকে জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা, দরিদ্র সদস্য সহায়তা, উৎপাদনমূলক প্রকল্প ও সামাজিক কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
অধ্যায় ১৩: Al Towfiqi City
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
আইনসম্মত জমি ও সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে Al Towfiqi City নামে একটি পরিকল্পিত পারিবারিক-সামাজিক কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য থাকবে। এতে থাকবে: মাছচাষ, কৃষি, হাঁস-মুরগির খামার, গবাদিপশু, রিসোর্ট, লাইব্রেরি, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ইত্যাদি।
📜 পারিবারিক শপথ
আমি, __________________________,
আল তৌফিকী পরিবারের সদস্য হিসেবে অঙ্গীকার করছি যে—
আমি আল্লাহকে ভয় করব। আমি সত্য বলব। আমি অন্যায় থেকে বিরত থাকব।
আমি পরিবারের সদস্যদের সম্মান করব। আমি সামর্থ্য অনুযায়ী পারিবারিক কল্যাণে অবদান রাখব।
🤲 সমাপনী দোয়া
হে আল্লাহ, আল তৌফিকী পরিবারের সকল সদস্যকে ঈমান, তাকওয়া, ইলম, হিকমাহ, ইনসাফ ও আমানতদারিতা দান করুন। আমাদের পরিবারে ভালোবাসা, ঐক্য ও পারস্পরিক সম্মান প্রতিষ্ঠা করুন। আমিন।
প্রতিষ্ঠাতা:
তৌফিক সুলতান (মোঃ তৌফিক হোসাইন)
Al Towfiqi Family

📘 AL TOWFIQI FAMILY CONSTITUTION
আল তৌফিকী পরিবার সংবিধান
সংহত ও বিস্তারিত সংস্করণ
প্রতিষ্ঠাতা: তৌফিক সুলতান (মোঃ তৌফিক হোসাইন)
পারিবারিক পরিচয়: Al Towfiqi Family — আল তৌফিকী পরিবার
মূল ভিত্তি: আল-কোরআন ও সহিহ সুন্নাহ
মূল আদর্শ: ঈমান • ইলম • ইনসাফ • ঐক্য • ইখলাস • খেদমত
সংস্করণ: প্রথম সংহত ও বিস্তারিত সংস্করণ
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
প্রস্তাবনা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর ওপর।
 |
| Al Towfiqi Family |
আল তৌফিকী পরিবার সংবিধান একটি মুসলিম পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি পারিবারিক পরিচয়, নৈতিকতা, শিক্ষা, নেতৃত্ব, অর্থনীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা, সামাজিক কল্যাণ এবং প্রজন্মান্তরের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য প্রণীত একটি পারিবারিক দলিল।
এই সংবিধানের উদ্দেশ্য কোনো রাষ্ট্রীয় সরকার, আদালত বা আইনব্যবস্থার বিকল্প সৃষ্টি করা নয়। বরং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঈমান, তাকওয়া, জ্ঞান, শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার, পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ এবং মানবকল্যাণের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা।
পরিবারের সব কার্যক্রম বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
মূলনীতি
“ঈমান • ইলম • ইনসাফ • ঐক্য • ইখলাস • খেদমত”
সূচিপত্র
১. পরিবার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
২. আকীদাহ ও মৌলিক বিশ্বাস
৩. পারিবারিক পরিচয় ও নামকরণ বিধি
৪. সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব
৫. নেতৃত্ব, পরিবার প্রধান ও শূরা
৬. বয়োজ্যেষ্ঠ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সম্মান
৭. ন্যায়, ইনসাফ ও সত্য প্রতিষ্ঠা
৮. পারিবারিক বিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তি
৯. শৃঙ্খলা ও সংশোধন নীতি
১০. পারিবারিক ফান্ড ও অর্থনৈতিক কাঠামো
১১. জমি ক্রয় ও উৎপাদনমূলক প্রকল্প
১২. Al Towfiqi City ও ভবিষ্যৎ অবকাঠামো
১৩. কর্যে হাসানা ও মানবকল্যাণ
১৪. শিক্ষা ও সন্তান লালন-পালন
১৫. বিবাহ ও পরিবার সম্প্রসারণ
১৬. নারী সদস্যদের অধিকার ও মর্যাদা
১৭. প্রবীণ, অসুস্থ ও অসহায় সদস্যদের সেবা
১৮. মৃত্যু, দাফন ও উত্তরাধিকার
১৯. বার্ষিক পারিবারিক সম্মেলন
২০. পারিবারিক ঐতিহ্য, স্মৃতি ও আর্কাইভ
২১. সমাজসেবা ও মজলুমের পাশে দাঁড়ানো
২২. আলেম, চিন্তাবিদ ও মনীষীদের শিক্ষা গ্রহণ
২৩. Al Towfiqi Family Award
২৪. বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহযোগীদের সম্পৃক্ততা
২৫. স্বচ্ছতা, হিসাব ও অডিট
২৬. সংবিধান সংশোধন
২৭. ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দায়িত্ব
২৮. পারিবারিক শপথ
২৯. সমাপনী ঘোষণা
অধ্যায় ১
পরিবার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
অনুচ্ছেদ ১: মূল উদ্দেশ্য
আল তৌফিকী পরিবারের প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য—
১. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
২. ঈমানদার ও চরিত্রবান প্রজন্ম গড়ে তোলা।
৩. কোরআন ও সহিহ সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপনে উৎসাহিত করা।
৪. পরিবারের সদস্যদের বিপদে পাশে দাঁড়ানো।
৫. জ্ঞান, শিক্ষা ও গবেষণাকে উৎসাহিত করা।
৬. হালাল উপার্জন ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা তৈরি করা।
৭. ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার চর্চা করা।
৮. অসহায়, দরিদ্র ও মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
৯. পরিবারকে একটি কল্যাণমুখী ও জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১০. ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী পারিবারিক ঐতিহ্য রেখে যাওয়া।
অধ্যায় ২
আকীদাহ ও মৌলিক নীতিমালা
অনুচ্ছেদ ২: ঈমানের ভিত্তি
পরিবারের সদস্যরা—
১. আল্লাহর একত্বে বিশ্বাস করবে।
২. মুহাম্মদ ﷺ-কে আল্লাহর সর্বশেষ রাসূল হিসেবে বিশ্বাস করবে।
৩. আল-কোরআনকে আল্লাহর কিতাব হিসেবে মানবে।
৪. সহিহ সুন্নাহ অনুসরণের চেষ্টা করবে।
৫. শিরক, কুসংস্কার ও স্পষ্টভাবে হারাম কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবে।
৬. মতভেদ হলে কোরআন ও সহিহ সুন্নাহর দিকে প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা করবে।
মূলনীতি
সত্য কোনো ব্যক্তির কারণে সত্য নয় এবং কোনো ব্যক্তির কারণে মিথ্যাও নয়।
পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান, বয়োজ্যেষ্ঠ, আলেম, ধনী বা প্রভাবশালী—কেউই সত্য ও ন্যায়ের ঊর্ধ্বে নন।
অধ্যায় ৩
পারিবারিক পরিচয় ও নামকরণ বিধি
অনুচ্ছেদ ৩: “আল তৌফিকী” পারিবারিক পরিচয়
আল তৌফিকী পরিবারে পারিবারিক পরিচয়ের অংশ হিসেবে নামের শেষে—
“আল তৌফিকী”
ব্যবহারের নীতি থাকবে।
“তাওফিক” (توفيق) শব্দটি সাধারণভাবে আল্লাহপ্রদত্ত সামর্থ্য, সঠিক পথে পরিচালিত হওয়া এবং সফলতার অর্থবোধক। “আল তৌফিকী”কে এখানে পারিবারিক পরিচয় হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
অনুচ্ছেদ ৪: সাধারণ নামের কাঠামো
উদাহরণ—
- সুলতান আল তৌফিকী
- ইব্রাহিম আল তৌফিকী
- ওমর আল তৌফিকী
- উসমান আল তৌফিকী
- মারিয়াম আল তৌফিকী
- ফাতেমা আল তৌফিকী
অনুচ্ছেদ ৫: প্রতিষ্ঠাতার সরাসরি সন্তানদের বিশেষ নামনীতি
প্রতিষ্ঠাতা তৌফিক সুলতান-এর সরাসরি সন্তানদের ক্ষেত্রে পিতৃপরিচয় যুক্ত নামের কাঠামো অনুসরণ করা হবে।
পুত্র
সুলতান তাজরিয়ান আল তৌফিকী ইবনে তৌফিক
অথবা পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—
সুলতান তহা আল তৌফিকী ইবনে তৌফিক
পরবর্তী পুত্রদের উদাহরণ—
উসমান আল তৌফিকী বিন তৌফিক
মোহাম্মদ আল তৌফিকী বিন তৌফিক
কন্যা
সুলতানা আল তৌফিকী বিনতে তৌফিক
মারিয়াম আল তৌফিকী বিনতে তৌফিক
ফাতেমা আল তৌফিকী বিনতে তৌফিক
জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, শিক্ষাগত সনদ ও অন্যান্য সরকারি নথিতে নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট বানান ও ক্রম স্থির করে সর্বত্র একইভাবে ব্যবহার করা হবে।
অধ্যায় ৪
সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব
প্রত্যেক সদস্যের অধিকার—
১. সম্মান পাওয়া।
২. অন্যায় থেকে সুরক্ষা পাওয়া।
৩. প্রয়োজনের সময় পারিবারিক সহযোগিতা পাওয়া।
৪. নিজের বক্তব্য প্রকাশের সুযোগ পাওয়া।
৫. ন্যায়সংগত অভিযোগ করার সুযোগ পাওয়া।
৬. শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পাওয়া।
৭. পারিবারিক ফান্ডের যোগ্য সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাওয়া।
প্রত্যেক সদস্যের দায়িত্ব—
১. সত্য বলা।
২. আমানত রক্ষা করা।
৩. পরিবারের সম্মান রক্ষা করা।
৪. অন্য সদস্যের অধিকার নষ্ট না করা।
৫. গীবত, অপবাদ ও ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকা।
৬. সামর্থ্য অনুযায়ী পরিবার ও সমাজের কল্যাণে অবদান রাখা।
অধ্যায় ৫
পরিবার প্রধান ও নেতৃত্ব ব্যবস্থা
অনুচ্ছেদ ৬: পরিবার প্রধান
প্রতিষ্ঠাতা জীবিত ও দায়িত্ব পালনে সক্ষম থাকা অবস্থায়—
তৌফিক সুলতান
পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তাঁর দায়িত্ব—
১. পরিবারে ন্যায় প্রতিষ্ঠা।
২. শূরা পরিচালনা।
৩. পারিবারিক ফান্ডের তত্ত্বাবধান।
৪. সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা।
৫. পারিবারিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ।
৬. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পরামর্শ গ্রহণ।
৭. জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
৮. পরিবারের বাহ্যিক প্রতিনিধিত্ব করা।
অনুচ্ছেদ ৭: নেতৃত্বের মৌলিক যোগ্যতা
ভবিষ্যতে নেতৃত্ব নির্ধারণে নিম্নোক্ত বিষয় বিবেচনা করা হবে—
ইলম → তাকওয়া → ইনসাফ → আমানতদারিতা → নেতৃত্বের সক্ষমতা → জ্যেষ্ঠতা
শুধু বয়স বেশি হলেই কেউ নেতৃত্বের যোগ্য হবেন না।
অধ্যায় ৬
বয়োজ্যেষ্ঠ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সম্মান
পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সম্মান করা পারিবারিক আদবের অংশ।
তারা যদি ন্যায়, সত্য ও বৈধ বিষয়ের ওপর থাকেন—
১. তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে।
২. ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে।
৩. প্রয়োজনীয় শাসন বা পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
৪. মতভেদ হলেও অসম্মান করা যাবে না।
তবে মৌলিক নীতি
আনুগত্য কেবল ভালো ও ন্যায়সংগত বিষয়ে।
কেউ যদি স্পষ্ট অন্যায়, জুলুম, প্রতারণা বা আল্লাহর অবাধ্যতার নির্দেশ দেন, তাহলে সেই নির্দেশ মান্য করা যাবে না। তবে অসম্মতিও হবে ভদ্রতা, প্রমাণ ও ন্যায়ের সঙ্গে।
অর্থাৎ—
ব্যক্তির প্রতি সম্মান থাকবে; কিন্তু সত্যের চেয়ে কোনো ব্যক্তি বড় হবে না।
অধ্যায় ৭
ন্যায়, ইনসাফ ও সত্য প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ৮
আল তৌফিকী পরিবারের সর্বোচ্চ পারিবারিক নৈতিক নীতিগুলোর একটি হবে—
ইনসাফ।
ধনী-গরিব, পুরুষ-নারী, ছোট-বড়, প্রতিষ্ঠাতার সন্তান বা অন্য সদস্য—সবার ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের নীতি প্রযোজ্য হবে।
কোনো সদস্যের ওপর অন্যায় হলে—
১. বিষয়টি উপেক্ষা করা যাবে না।
২. সত্যতা যাচাই করতে হবে।
৩. নির্যাতিত ব্যক্তির কথা শুনতে হবে।
৪. অন্যায়কারীকে ন্যায়সংগত জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
৫. প্রতিশোধ নয়, সংশোধন ও ন্যায় হবে উদ্দেশ্য।
অধ্যায় ৮
বিশ্বাসঘাতকতা, ষড়যন্ত্র ও শৃঙ্খলা
বিশ্বাসঘাতকতা, জালিয়াতি, ফান্ড আত্মসাৎ, ইচ্ছাকৃত প্রতারণা, মিথ্যা অভিযোগ বা পরিকল্পিত ক্ষতি গুরুতর বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
তবে কোনো ব্যক্তিকে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না।
তদন্ত পদ্ধতি
১. অভিযোগ গ্রহণ।
২. প্রাথমিক যাচাই।
৩. নিরপেক্ষ তদন্ত।
৪. অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ।
৫. প্রমাণ পর্যালোচনা।
৬. লিখিত সিদ্ধান্ত।
৭. প্রয়োজন হলে পুনর্বিবেচনার সুযোগ।
সম্ভাব্য পারিবারিক ব্যবস্থা
- সতর্কতা
- লিখিত সংশোধনী নির্দেশ
- দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি
- ফান্ড ব্যবস্থাপনা থেকে অপসারণ
- ক্ষতিপূরণ
- পদ থেকে অপসারণ
- গুরুতর বিষয় হলে আইনগত কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর
কোনো পারিবারিক কমিটি শারীরিক শাস্তি, নির্যাতন, বেআইনি আটক বা নিজস্ব আদালতের মতো বিচার করতে পারবে না।
অধ্যায় ৯
শূরা পরিষদ
অনুচ্ছেদ ৯
পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোতে একটি আল তৌফিকী শূরা পরিষদ থাকবে।
শূরার কাজ—
১. পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
২. ফান্ডের ব্যবহার পর্যালোচনা।
৩. জমি ও প্রকল্পের পরিকল্পনা।
৪. সদস্য কল্যাণ।
৫. শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রম।
৬. সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব পর্যালোচনা।
শূরার নীতি
পরামর্শ → প্রমাণ → ন্যায় → সিদ্ধান্ত → জবাবদিহি
অধ্যায় ১০
আল তৌফিকী পারিবারিক ফান্ড
অনুচ্ছেদ ১০: “বাইতুল মাল আল তৌফিকী”
পরিবারের একটি কেন্দ্রীয় কল্যাণ তহবিল থাকবে।
সদস্যদের অবদান
উপার্জনক্ষম সদস্যরা—
মাসিক মোট আয়ের সর্বনিম্ন ৭% অথবা তার বেশি
পারিবারিক ফান্ডে অবদান রাখার নীতি গ্রহণ করবে।
তবে কারও প্রকৃত অসামর্থ্য, বেকারত্ব, ঋণগ্রস্ততা বা বিশেষ পরিস্থিতি থাকলে শূরা পরিষদ মানবিক বিবেচনায় তার অবদান কমাতে, স্থগিত করতে বা মওকুফ করতে পারবে।
ফান্ডের ব্যবহার
১. জরুরি চিকিৎসা।
২. দরিদ্র সদস্য সহায়তা।
৩. শিক্ষা।
৪. দক্ষতা উন্নয়ন।
৫. জরুরি বাসস্থান সহায়তা।
৬. বয়স্কদের সহায়তা।
৭. উৎপাদনমূলক প্রকল্প।
৮. সামাজিক কল্যাণ।
৯. দাওয়াহ ও মানবিক উদ্যোগ।
১০. দুর্যোগকালীন সহায়তা।
পৃথক উন্মুক্ত ফান্ড
Al Towfiqi Open Welfare Fund
এখানে পরিবারের বাইরের ব্যক্তি, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও প্রতিষ্ঠান স্বেচ্ছায় অনুদান দিতে পারবেন।
ব্যক্তিগত দান, যাকাত, সদকা এবং পারিবারিক অবদান—সম্ভব হলে পৃথক হিসাব রাখা হবে।
অধ্যায় ১১
ফান্ডের স্বচ্ছতা ও অডিট
১. সকল আয়-ব্যয়ের লিখিত হিসাব থাকবে।
২. ব্যাংক/ডিজিটাল লেনদেনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
৩. বড় ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
৪. নিয়মিত আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি হবে।
৫. বছরে অন্তত একবার স্বাধীনভাবে হিসাব পর্যালোচনা করা হবে।
৬. কোনো ব্যক্তিগত সম্পদকে পারিবারিক ফান্ড হিসেবে দেখানো যাবে না।
৭. ফান্ডের অর্থ ব্যক্তিগত লাভের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, যদি না তা অনুমোদিত বিনিয়োগ প্রকল্প হয়।
অধ্যায় ১২
উৎপাদনমূলক জমি ও বিনিয়োগ প্রকল্প
পারিবারিক ফান্ডের পর্যাপ্ত অর্থ সঞ্চিত হলে আইনসম্মতভাবে জমি ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
উদ্দেশ্য হবে—
“ফান্ডকে শুধু ব্যয় নয়, উৎপাদনশীল সম্পদে রূপান্তর করা।”
সম্ভাব্য প্রকল্প—
- মাছ চাষ
- হাঁস পালন
- রাজহাঁস পালন
- দেশি মুরগি পালন
- গবাদিপশু পালন
- শাকসবজি চাষ
- ফলের বাগান
- নার্সারি
- কৃষি গবেষণা
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
- খাদ্য উৎপাদন
- পর্যটন/রিসোর্ট
- ক্ষুদ্র শিল্প
লাভের একটি অংশ পুনরায় প্রকল্পে বিনিয়োগ এবং একটি অংশ পারিবারিক কল্যাণে ব্যবহার করা যেতে পারে।
অধ্যায় ১৩
Al Towfiqi City
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে আইনসম্মত জমি ও সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে—
Al Towfiqi City
নামে একটি পরিকল্পিত পারিবারিক-সামাজিক কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য থাকবে।
এটি কোনো রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় ভূখণ্ড দাবি নয়; বরং একটি আইনসম্মত পারিবারিক ও সামাজিক প্রকল্প।
সম্ভাব্য উপাদান—
১. পারিবারিক মিলনকেন্দ্র।
২. কৃষি প্রকল্প।
৩. মাছের খামার।
৪. হাঁস-মুরগির খামার।
৫. গবাদিপশু খামার।
৬. বৃক্ষবাগান।
৭. রিসোর্ট/অতিথিশালা।
৮. গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
৯. লাইব্রেরি।
১০. শিশুদের শিক্ষাকেন্দ্র।
১১. বসার ও সভাস্থল।
১২. সামাজিক সেবা কেন্দ্র।
অধ্যায় ১৪
ভবিষ্যৎ অঞ্চল ও স্থাপনার নাম
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় নিম্নোক্ত নামগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে—
Muslim Community
মুসলিমদের কল্যাণ, শিক্ষা ও সামাজিক সহযোগিতামূলক কমিউনিটি।
Al Towfiqi Family
পারিবারিক কেন্দ্র।
House of Al Towfiqi
পরিবারের প্রধান ঐতিহাসিক/প্রশাসনিক ভবন।
Al Towfiqi City
পারিবারিক ও উৎপাদনমূলক সমন্বিত প্রকল্প।
Writer Towfiq Sultan Sir City
লেখক, গবেষণা, শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ভবিষ্যৎ প্রকল্প।
অধ্যায় ১৫
কর্যে হাসানা ও সামাজিক কল্যাণ
পরিবারের সম্পদ ও সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের কল্যাণে—
১. বসার জায়গা।
২. পানি ও স্যানিটেশন।
৩. শিক্ষা সহায়তা।
৪. চিকিৎসা সহায়তা।
৫. দরিদ্রদের খাদ্য সহায়তা।
৬. কর্মসংস্থান।
৭. দক্ষতা প্রশিক্ষণ।
৮. বই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।
৯. দুর্যোগ সহায়তা।
১০. এতিম ও অসহায়দের সহায়তা।
প্রদান করা হবে।
প্রয়োজনে ডিজিটাল পরিচয়/Face & Finger authentication ব্যবহারের পরিকল্পনা করা যেতে পারে; তবে এটি বাস্তবায়নের আগে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা, সম্মতি, বাংলাদেশি আইন ও সাইবার নিরাপত্তা বিধি নিশ্চিত করতে হবে।
অধ্যায় ১৬
শিক্ষা ও সন্তান লালন-পালন
আল তৌফিকী পরিবারের প্রত্যেক শিশুকে—
০–৭ বছর
ভালোবাসা, আদব, ঈমানের মৌলিক শিক্ষা ও নিরাপদ পরিবেশ দেওয়া হবে।
৭–১২ বছর
১. সালাত শিক্ষা।
২. কোরআন শিক্ষা।
৩. বাংলা ও ইংরেজি ভাষা।
৪. গণিত ও বিজ্ঞান।
৫. প্রযুক্তি জ্ঞান।
৬. নৈতিক শিক্ষা।
১২–১৮ বছর
১. দ্বীনি জ্ঞান।
২. চরিত্র গঠন।
৩. ক্যারিয়ার পরিকল্পনা।
৪. আর্থিক শিক্ষা।
৫. দায়িত্ববোধ।
৬. সামাজিক সেবা।
৭. ডিজিটাল নাগরিকত্ব।
শিশুকে অপমান, ভয় দেখানো বা ক্ষতিকর শারীরিক শাস্তি দেওয়া যাবে না।
অধ্যায় ১৭
বিবাহ ও পরিবার সম্প্রসারণ
১. বিবাহে পাত্র-পাত্রীর সম্মতি থাকতে হবে।
২. যৌতুক গ্রহণ বা প্রদান নিরুৎসাহিত/নিষিদ্ধ পারিবারিক নীতি হিসেবে গণ্য হবে।
৩. মোহর নিশ্চিত করতে হবে।
৪. দ্বীন ও চরিত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
৫. দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখতে হবে।
৬. বিরোধ হলে প্রথমে আলোচনা, পরে মধ্যস্থতা ও প্রয়োজন হলে যোগ্য আলেম/আইনগত সহায়তা নেওয়া হবে।
৭. উত্তরাধিকার শরঈ ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথভাবে সম্পন্ন হবে।
অধ্যায় ১৮
নারী সদস্যদের অধিকার ও মর্যাদা
আল তৌফিকী পরিবারের নারী সদস্যরা—
১. সম্মান পাবেন।
২. শিক্ষা গ্রহণ করবেন।
৩. নিজের বৈধ মতামত প্রকাশ করবেন।
৪. সম্পত্তির বৈধ অধিকার ভোগ করবেন।
৫. পারিবারিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করবেন।
৬. তাদের ওপর অন্যায় বা নির্যাতন হলে পরিবার প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নারীকে কেবল পরিবারের দায়িত্ব পালনের যন্ত্র হিসেবে নয়, বরং মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তি ও পরিবারের পূর্ণ সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
অধ্যায় ১৯
প্রবীণ ও অসহায় সদস্য
পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের—
১. সম্মান।
২. চিকিৎসা।
৩. প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা।
৪. মানসিক সঙ্গ।
৫. নিরাপদ বাসস্থান।
৬. পারিবারিক সিদ্ধান্তে পরামর্শের সুযোগ
দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
অধ্যায় ২০
মৃত্যু ও উত্তরাধিকার
মৃত্যুর পর—
১. গোসল।
২. কাফন।
৩. জানাজা।
৪. দাফন
শরঈ নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।
সম্পত্তির ক্ষেত্রে—
ঋণ → বৈধ ওসিয়ত → উত্তরাধিকারীদের শরঈ/আইনগত অধিকার
অনুসরণ করা হবে।
কোনো পারিবারিক ফান্ড বা নেতৃত্ব কোনো ব্যক্তির বৈধ উত্তরাধিকার অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।
অধ্যায় ২১
বার্ষিক পারিবারিক সভা
প্রতি বছর অন্তত—
২টি পারিবারিক সভা
আয়োজনের লক্ষ্য থাকবে।
তন্মধ্যে অন্তত ১টি প্রধান বার্ষিক সভায় পরিবারের সদস্যদের যথাসম্ভব উপস্থিত থাকার ব্যবস্থা করা হবে।
সভায়—
১. পরিবারের অবস্থা।
২. ফান্ডের হিসাব।
৩. নতুন প্রকল্প।
৪. সদস্যদের সমস্যা।
৫. শিশুদের শিক্ষা।
৬. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
৭. পারিবারিক ইতিহাস।
৮. সংবিধান পর্যালোচনা।
আলোচনা করা হবে।
অধ্যায় ২২
বার্ষিক মিলন ও দোয়া অনুষ্ঠান
সভা শেষে—
১. পরিবারের কল্যাণের জন্য দোয়া।
২. প্রয়াত স্বজনদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া।
৩. সমাজ ও মানবতার কল্যাণের জন্য দোয়া।
করা হবে।
পরিবারের ফান্ডের সামর্থ্য অনুযায়ী খাবারের আয়োজন করা যেতে পারে।
এতে—
- পরিবারের সদস্য
- আত্মীয়
- বন্ধু
- শুভাকাঙ্ক্ষী
- সামাজিক সহযোগী
আমন্ত্রিত হতে পারবেন।
অধ্যায় ২৩
পারিবারিক ইতিহাস ও আর্কাইভ
আল তৌফিকী পরিবার একটি স্থায়ী আর্কাইভ তৈরি করবে।
সংরক্ষণ করা হবে—
১. বংশতালিকা।
২. জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য।
৩. গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক দলিল।
৪. প্রতিষ্ঠাতার জীবনী।
৫. পরিবারের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের জীবনী।
৬. ছবি ও ভিডিও।
৭. সামাজিক কর্মকাণ্ড।
৮. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
৯. পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যদের তালিকা।
১০. পরিবারের সংবিধানের পুরোনো সংস্করণ।
অধ্যায় ২৪
সত্য, পরনিন্দা ও সম্পর্কনীতি
যারা ইচ্ছাকৃতভাবে—
- মিথ্যা প্রচার করে,
- অপবাদ দেয়,
- পরনিন্দা করে,
- ষড়যন্ত্র করে,
- অন্যের অধিকার নষ্ট করে,
তাদের কর্মকাণ্ড থেকে পরিবার সতর্ক থাকবে।
তবে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কাউকে অপবাদ দেওয়া যাবে না।
মূলনীতি
ব্যক্তিকে ঘৃণা নয়; অন্যায়কে প্রত্যাখ্যান।
যেখানে সম্ভব সংশোধন, ক্ষমা ও সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথ খোলা থাকবে।
অধ্যায় ২৫
মজলুম ও মানবতার পাশে দাঁড়ানো
আল তৌফিকী পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ—
“জুলুমের বিরুদ্ধে ন্যায়, দুর্বলের পাশে সহায়তা।”
কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে নির্যাতিত হলে—
১. তার কথা শোনা।
২. সত্যতা যাচাই।
৩. আইনসম্মত সহায়তা।
৪. চিকিৎসা সহায়তা।
৫. খাদ্য বা আর্থিক সহায়তা।
৬. প্রয়োজন হলে আইনগত/প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা।
প্রদান করা যেতে পারে।
কোনো সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে পরিবার নিজে আইন হাতে তুলে নেবে না।
অধ্যায় ২৬
জ্ঞানী ব্যক্তি ও মনীষীদের শিক্ষা
পরিবারের সদস্যদের ইতিহাসের জ্ঞানী, চিন্তাবিদ ও আধ্যাত্মিক মনীষীদের রচনা পড়তে উৎসাহিত করা হবে।
যেমন—
- হযরত আলী (রা.)
- হযরত উমর (রা.)
- অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম
- জালালউদ্দীন রুমি
- আল্লামা ইকবাল
- ইবনে আরাবি
- সুলতান সুলাইমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্বের শিক্ষা
তবে কারও বক্তব্য কোরআন ও সহিহ সুন্নাহর সমপর্যায়ের দলিল হিসেবে গণ্য হবে না।
মূলনীতি
ব্যক্তির কাছ থেকে জ্ঞান গ্রহণ করা যাবে; কিন্তু চূড়ান্ত সত্যের মানদণ্ড হবে কোরআন ও সহিহ সুন্নাহ।
অধ্যায় ২৭
Al Towfiqi Family Award
পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিবছর একটি সম্মাননা কার্যক্রম আয়োজনের লক্ষ্য থাকবে।
“Al Towfiqi Family 77 Awards”
প্রাথমিকভাবে ৭টি বিভাগে মোট ৭৭ জন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়ার পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
সম্ভাব্য বিভাগ—
১. শিক্ষা
২. গবেষণা ও জ্ঞান
৩. মানবসেবা
৪. সমাজসেবা
৫. কৃষি ও উদ্যোক্তা
৬. সাহিত্য ও সংস্কৃতি
৭. ন্যায়, সততা ও নেতৃত্ব
পুরস্কার নির্বাচনে—
যোগ্যতা + কাজের প্রমাণ + সততা + সামাজিক প্রভাব
বিবেচনা করা হবে।
অধ্যায় ২৮
বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভূমিকা
Al Towfiqi Family কেবল রক্তের সম্পর্কের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানবিক ও কল্যাণমূলক কাজে শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে পারবে।
বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা—
১. প্রকল্পে অংশগ্রহণ।
২. দান।
৩. স্বেচ্ছাসেবা।
৪. শিক্ষা কার্যক্রম।
৫. গবেষণা।
৬. মানবিক সহায়তা।
করতে পারবেন।
তবে পরিবারের সদস্য হওয়ার অধিকার ও পারিবারিক পরিচয় পৃথক থাকবে।
অধ্যায় ২৯
স্থায়ী কমিটি
পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি আল তৌফিকী স্থায়ী কমিটি থাকবে।
সম্ভাব্য দায়িত্ব—
১. ফান্ড পর্যবেক্ষণ।
২. প্রকল্প পর্যালোচনা।
৩. বার্ষিক সভা আয়োজন।
৪. সংবিধান পর্যালোচনা।
৫. সদস্য কল্যাণ।
৬. নেতৃত্বের জবাবদিহি।
৭. অভিযোগের নিরপেক্ষ পর্যালোচনা।
কমিটির সদস্যরা—
ইলম, ইনসাফ, আমানতদারিতা ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন।
অধ্যায় ৩০
অভিযোগ ও ন্যায়বিচার ব্যবস্থা
কোনো অভিযোগ উঠলে—
ধাপ ১
অভিযোগ গ্রহণ।
ধাপ ২
প্রাথমিক যাচাই।
ধাপ ৩
উভয় পক্ষের বক্তব্য।
ধাপ ৪
প্রমাণ ও সাক্ষ্য পর্যালোচনা।
ধাপ ৫
মধ্যস্থতার চেষ্টা।
ধাপ ৬
প্রয়োজনে শূরা/স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত।
ধাপ ৭
গুরুতর অপরাধ হলে রাষ্ট্রীয় আইনগত কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা।
অভিযুক্ত ব্যক্তি তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন না।
অধ্যায় ৩১
প্রধানের জবাবদিহি
পরিবারের প্রধানও এই সংবিধানের নৈতিক কাঠামোর অধীন থাকবেন।
যদি প্রধানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠে—
১. অভিযোগ লিখিতভাবে গ্রহণ করা হবে।
২. নিরপেক্ষ সদস্যদের মাধ্যমে যাচাই হবে।
৩. প্রধানকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে।
৪. প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫. অপরাধ রাষ্ট্রীয় আইনের আওতায় পড়লে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি দেওয়া হবে।
মূলনীতি
“প্রধান পরিবারকে নেতৃত্ব দেবেন; পরিবার প্রধানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।”
অধ্যায় ৩২
জমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা
পরিবারের নামে জমি ক্রয় করা হলে—
১. বৈধ দলিল থাকতে হবে।
২. মালিকানা পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করতে হবে।
৩. ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদ পৃথক রাখতে হবে।
৪. জমির ব্যবহার লিখিত প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী হবে।
৫. কৃষি, মৎস্য, পশুপালন ও পর্যটন প্রকল্প আইন মেনে পরিচালিত হবে।
৬. পরিবেশের ক্ষতি করা যাবে না।
অধ্যায় ৩৩
Al Towfiqi City-এর দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা
প্রথম পর্যায়
জমি ক্রয় ও নিরাপদ সীমানা নির্ধারণ।
দ্বিতীয় পর্যায়
মাছের পুকুর, কৃষি ও বৃক্ষরোপণ।
তৃতীয় পর্যায়
হাঁস, মুরগি ও গবাদিপশু প্রকল্প।
চতুর্থ পর্যায়
পারিবারিক মিলনকেন্দ্র ও অতিথিশালা।
পঞ্চম পর্যায়
লাইব্রেরি, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র।
ষষ্ঠ পর্যায়
রিসোর্ট ও পর্যটন প্রকল্প।
সপ্তম পর্যায়
সামাজিক কল্যাণ কমপ্লেক্স।
অষ্টম পর্যায়
আয়-উৎপাদনকারী স্থায়ী সম্পদে রূপান্তর।
অধ্যায় ৩৪
পারিবারিক বিনিয়োগের নীতি
কোনো প্রকল্প গ্রহণের আগে—
১. সম্ভাব্যতা যাচাই।
২. ঝুঁকি বিশ্লেষণ।
৩. আইনগত যাচাই।
৪. পরিবেশগত বিবেচনা।
৫. আয়-ব্যয়ের হিসাব।
৬. শূরা অনুমোদন।
থাকবে।
ফান্ডের অর্থ দিয়ে অনিয়ন্ত্রিত বা অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করা যাবে না।
অধ্যায় ৩৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নীতি
পরিবারের কোনো সদস্য—
১. মিথ্যা তথ্য ছড়াবে না।
২. অন্যের সম্মান নষ্ট করবে না।
৩. গোপন পারিবারিক তথ্য প্রকাশ করবে না।
৪. যাচাই ছাড়া অভিযোগ প্রকাশ করবে না।
৫. অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করবে না।
পরিবারের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থাকলে তা একটি নির্দিষ্ট মিডিয়া টিম পরিচালনা করবে।
অধ্যায় ৩৬
পরিবেশ ও প্রাণীর প্রতি দায়িত্ব
Al Towfiqi City ও পারিবারিক প্রকল্পে—
১. বৃক্ষরোপণ।
২. পানি সংরক্ষণ।
৩. মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা।
৪. প্রাণীর প্রতি সদাচরণ।
৫. রাসায়নিক ব্যবহারে সতর্কতা।
৬. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।
নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে।
অধ্যায় ৩৭
মানবসম্পদ ও কর্মসংস্থান
Al Towfiqi City ও অন্যান্য প্রকল্পে স্থানীয় যোগ্য মানুষকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে।
অগ্রাধিকার—
- দরিদ্র
- বেকার
- দক্ষ তরুণ
- নারী উদ্যোক্তা
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির উপযোগী কর্মসংস্থান
ইত্যাদি ক্ষেত্রে দেওয়া যেতে পারে।
অধ্যায় ৩৮
পারিবারিক গবেষণা ও জ্ঞানকেন্দ্র
ভবিষ্যতে Al Towfiqi Research & Knowledge Centre প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য থাকবে।
গবেষণার বিষয় হতে পারে—
১. পরিবার ও সমাজ।
২. শিক্ষা।
৩. কৃষি।
৪. পরিবেশ।
৫. ইসলামি সভ্যতা।
৬. ইতিহাস।
৭. প্রযুক্তি।
৮. মানবকল্যাণ।
৯. উদ্যোক্তা উন্নয়ন।
অধ্যায় ৩৯
পরিবারের মূল স্লোগান
প্রধান স্লোগান
“ঈমান • ইলম • ইনসাফ • ঐক্য • ইখলাস • খেদমত”
দ্বিতীয় নীতি
“সত্যের সঙ্গে আপস নয়, অন্যায়ের সঙ্গে সহযোগিতা নয়।”
তৃতীয় নীতি
“নিজের জন্য নয়—পরিবার, সমাজ ও মানবতার কল্যাণে।”
অধ্যায় ৪০
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দায়িত্ব
প্রতিটি প্রজন্ম—
১. সংবিধান সংরক্ষণ করবে।
২. নতুন প্রজন্মকে পারিবারিক ইতিহাস জানাবে।
৩. নামকরণের ঐতিহ্য বজায় রাখবে।
৪. ফান্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
৫. প্রবীণদের সম্মান করবে।
৬. শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করবে।
৭. উৎপাদনশীল সম্পদ বৃদ্ধি করবে।
৮. মানবসেবার কার্যক্রম চালু রাখবে।
৯. অন্যায় ও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকবে।
১০. প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধানকে সময়োপযোগী করবে।
অধ্যায় ৪১
নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা
প্রতিষ্ঠাতার পর নেতৃত্ব শুধুমাত্র বংশগত অধিকারে নির্ধারিত হবে না।
যোগ্যতার প্রধান মানদণ্ড হবে—
১. ঈমান ও তাকওয়া
২. জ্ঞান
৩. ইনসাফ
৪. আমানতদারিতা
৫. নেতৃত্বের সক্ষমতা
৬. পারিবারিক ঐক্য রক্ষার যোগ্যতা
জ্ঞান ও যোগ্যতা সমমানের হলে জ্যেষ্ঠতা বিবেচিত হতে পারে।
অধ্যায় ৪২
সংবিধান সংশোধন
সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করা যাবে।
সংশোধনের পদ্ধতি—
১. লিখিত প্রস্তাব।
২. শূরা পরিষদে আলোচনা।
৩. প্রয়োজন হলে যোগ্য আলেম/বিশেষজ্ঞের মতামত।
৪. পরিবারের প্রধানের অনুমোদন।
৫. সংশোধিত সংস্করণ সংরক্ষণ।
তবে কোনো সংশোধন—
- কোরআন ও সহিহ সুন্নাহর স্পষ্ট নীতির বিরুদ্ধে,
- বাংলাদেশি আইনের বিরুদ্ধে,
- মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনকারী
হওয়া উচিত নয়।
অধ্যায় ৪৩
পারিবারিক শপথ
আমি, __________________________,
আল তৌফিকী পরিবারের সদস্য হিসেবে অঙ্গীকার করছি যে—
আমি আল্লাহকে ভয় করব।
আমি সত্য বলব।
আমি অন্যায় থেকে বিরত থাকব।
আমি পরিবারের সদস্যদের সম্মান করব।
আমি বয়োজ্যেষ্ঠদের ন্যায়সংগত পরামর্শকে সম্মান করব।
আমি অন্যায় আদেশকে অন্ধভাবে অনুসরণ করব না।
আমি সামর্থ্য অনুযায়ী পারিবারিক কল্যাণে অবদান রাখব।
আমি পারিবারিক ফান্ডের প্রতি আমানতদার থাকব।
আমি গীবত, অপবাদ ও ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকব।
আমি মজলুমের পাশে ন্যায়সংগতভাবে দাঁড়াব।
আমি আমার সন্তানদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও ঈমানের শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করব।
আমি আল তৌফিকী পরিবারের মর্যাদা রক্ষা করব।
নাম: __________________________
স্বাক্ষর: ______________________
তারিখ: ________________________
অধ্যায় ৪৪
প্রতিষ্ঠাতার নীতিগত ঘোষণা
আল তৌফিকী পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ঘোষণা করেন—
এই পরিবার কোনো ব্যক্তির ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য নয়; বরং একটি ন্যায়ভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক, কল্যাণমুখী ও ঈমানদার পারিবারিক ঐতিহ্য গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
পরিবারের নাম যত বড় হবে, দায়িত্বও তত বড় হবে।
সম্পদ যত বাড়বে, মানুষের প্রতি দায়িত্বও তত বাড়বে।
ক্ষমতা যত বাড়বে, ইনসাফের জবাবদিহিও তত বাড়বে।
অধ্যায় ৪৫
চূড়ান্ত নীতিবাক্য
আল তৌফিকী পরিবারের নীতিমালা—
আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখব।
কোরআন ও সহিহ সুন্নাহ থেকে শিক্ষা নেব।
সত্যকে ভালোবাসব।
ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব।
বয়োজ্যেষ্ঠকে সম্মান করব।
ছোটদের স্নেহ করব।
নারীর মর্যাদা রক্ষা করব।
শিশুদের জ্ঞানী করে গড়ে তুলব।
হালাল উপার্জন করব।
সম্পদকে উৎপাদনশীল করব।
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াব।
অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না।
পরিবারের ঐক্য রক্ষা করব।
এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি উত্তম উত্তরাধিকার রেখে যাব।
🤲 সমাপনী দোয়া
হে আল্লাহ,
আল তৌফিকী পরিবারের সকল সদস্যকে ঈমান, তাকওয়া, ইলম, হিকমাহ, ইনসাফ ও আমানতদারিতা দান করুন।
আমাদের পরিবারে ভালোবাসা, ঐক্য ও পারস্পরিক সম্মান প্রতিষ্ঠা করুন।
আমাদের সন্তানদের নেক, জ্ঞানী, সত্যবাদী, কর্মঠ ও মানবকল্যাণে নিবেদিত করুন।
আমাদের সম্পদে বরকত দিন এবং তা হালাল ও কল্যাণের কাজে ব্যবহারের তাওফিক দিন।
আমাদের প্রয়াত স্বজনদের মাগফিরাত করুন।
যারা অসহায়, নির্যাতিত ও বিপদগ্রস্ত—তাদের পাশে দাঁড়ানোর সামর্থ্য দিন।
আমাদের নেতৃত্বকে ইনসাফপূর্ণ করুন এবং আমাদেরকে জুলুম, অহংকার, গীবত, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা থেকে রক্ষা করুন।
আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন পূর্বপুরুষের ভালো কাজ সংরক্ষণ করে এবং ভুল থেকে শিক্ষা নেয়।
হে আল্লাহ, আল তৌফিকী পরিবারের প্রত্যেক প্রজন্মকে হেদায়েত, ঐক্য, জ্ঞান, বরকত ও কল্যাণ দান করুন।
আমিন।
🏷 AL TOWFIQI FAMILY
ঈমান • ইলম • ইনসাফ • ঐক্য • ইখলাস • খেদমত
প্রতিষ্ঠাতা:
তৌফিক সুলতান (মোঃ তৌফিক হোসাইন)
প্রথম প্রজন্মের পারিবারিক উত্তরাধিকার:
সুলতান তাজরিয়ান আল তৌফিকী ইবনে তৌফিক
লক্ষ্য:
একটি পরিবার → একটি ঐতিহ্য → একটি জ্ঞানভিত্তিক কমিউনিটি → একটি কল্যাণমুখী ভবিষ্যৎ।
আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com ,
editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com
দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ। সংবাদ দৈনিক অনুসন্ধান - ওয়েল্ফশন নিউজ আপডেট - Welftion Welfare Educational Leaders Friendly Trusted Investigation Organization Network.
সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক...
নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন- editorial.tdse@gmail.com
লেখার সাথে আপনার নাম ঠিকানা, যোগাযোগ নাম্বার যুক্ত করে দিয়েন-
সম্ভব হলে নিজের ছবি + লেখার সাথে মানানসই ছবি।
ইংরেজি লেখা পাঠাতে ও এই ই-মেইল টি ব্যাবহার করতে পারেন।
✉️ই-মেইল: editorial.tdse@gmail.com
- ধন্যবাদ
📧
towfiqsultan.help@gmail.com
📰 নিউজ
🔹 নতুন পোস্ট: "ওয়ার্ল্ড অফ নলেজ – জ্ঞানের জগৎ" প্রি-অর্ডার চলছে । | ✍ লেখক: তৌফিক সুলতান । | 📚 রকমারি ও বিডি বুকসে পাওয়া যাচ্ছে । • আরও খবর দেখুন ব্লগে...