সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রাচীন জনপদ কাপাসিয়ার পুনর্জাগরণ ও পরিকল্পিত পর্যটন নগরীর স্বপ্ন

প্রাচীন জনপদ কাপাসিয়ার পুনর্জাগরণ ও পরিকল্পিত পর্যটন নগরীর স্বপ্ন

কাপাসিয়া প্রাচীন জনপদের পুনর্জাগরণ — ঐতিহাসিক গৌরব থেকে আধুনিক সম্ভাবনার যাত্রা


— তৌফিক সুলতান


ইতিহাসের গহিনে ডুব দিলে কাপাসিয়ার পরিচয় মেলে এক সমৃদ্ধ ও উর্বর জনপদ হিসেবে, যার নামের উৎপত্তি কার্পাস তুলা থেকে। একসময় এই অঞ্চল ছিল প্রাচীন মসলিন বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যার বাণিজ্যিক সংযোগ বিস্তৃত ছিল গ্রিক সভ্যতা থেকে আরব বিশ্ব পর্যন্ত। সময়ের করাল গ্রাসে সেই ঐতিহাসিক গৌরব আজ অনেকটাই ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ। অথচ এই মাটিই জন্ম দিয়েছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের—স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ থেকে শুরু করে সংবিধান প্রণেতা ফকির শাহাবুদ্দীনের মতো প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কদের। এমন এক গৌরবময় ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও পরিহাসের বিষয় হলো, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর ও কালিয়াকৈর পৌরসভার মর্যাদা পেলেও কাপাসিয়া আজও উপজেলা হিসেবেই রয়ে গেছে, যেখানে উন্নয়নের বহু সম্ভাবনা এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।

কাপাসিয়ার প্রাণবন্ত সত্তা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে। শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদের মিলন এই জনপদকে দিয়েছে অনন্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য। ধাঁধারচরের রহস্যময় সৌন্দর্য হতে পারে পর্যটকদের জন্য এক অনাবিষ্কৃত আকর্ষণ। সুলতানপুর শাহী মসজিদের প্রাচীন স্থাপত্য ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে, আর দলোহাদীর লোহার খনি স্মরণ করিয়ে দেয় প্রাক-ঔপনিবেশিক শিল্প ঐতিহ্যের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। সবুজ-শ্যামল গ্রামীণ পরিবেশ, অসংখ্য দিঘি ও জলাভূমি কাপাসিয়াকে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নের জনপদে পরিণত করেছে। এসব প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পদ যদি সুপরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা যায়, তবে কাপাসিয়া অনায়াসেই দেশের পর্যটন মানচিত্রে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে।

এই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী যে “আকর্ষণীয় পরিকল্পিত পর্যটন নগরী” গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, তা নিছক রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়—বরং এটি কাপাসিয়ার সামগ্রিক উন্নয়নের একটি বাস্তবভিত্তিক রোডম্যাপ। এই রূপকল্প বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ হওয়া উচিত কাপাসিয়াকে পৌরসভার মর্যাদা প্রদান। দীর্ঘদিন ধরে যার জন্য এই জনপদের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। পৌরসভা ভবনের জন্য কাপাসিয়ার প্রাণকেন্দ্র আমরাইদ বা তরুল এলাকাকে নির্বাচন করা সময়ের দাবি, কারণ এই অঞ্চল দুটি ভৌগোলিকভাবে কাপাসিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ এবং এখানে রয়েছে পর্যাপ্ত সরকারি জমি ও গজারি বন। এরপর প্রয়োজন একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, যেখানে পর্যটন, আবাসন, পরিবহন ও পরিবেশ—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে। নদীকেন্দ্রিক পর্যটন কমপ্লেক্স, ঐতিহাসিক স্থাপনার সংরক্ষণ ও প্রদর্শনী কেন্দ্র, এবং ইকো-ট্যুরিজমের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই হতে পারে এই উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল ভিত্তি।

কাপাসিয়াকে পরিকল্পিত ওয়েল্ফশন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে এর অর্থনৈতিক প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সৃষ্টি হবে হাজারো কর্মসংস্থান—হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপনা, পর্যটক গাইড, পরিবহন খাত, হস্তশিল্প উৎপাদন ও বিপণনসহ নানা ক্ষেত্রে। স্থানীয় যুবসমাজের জন্য উন্মুক্ত হবে নতুন পেশাগত দিগন্ত, ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে বেকারত্বের চাপ। কৃষিপণ্য বিপণনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, বাড়বে স্থানীয় রাজস্ব, যা পুনরায় এই জনপদের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তাজউদ্দীন আহমদ ট্রায়াঙ্গেল ধারণাকে কেন্দ্র করে যদি কাপাসিয়া, ঢাকা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহকে সংযুক্ত করে একটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলা যায়, তবে গোটা অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্রই আমূল পরিবর্তিত হতে পারে।

তবে এই পুনর্জাগরণের পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা—এই বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব। স্থানীয় জনগণের মালিকানাভিত্তিক পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তুললে উন্নয়নের সুফল সরাসরি সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছাবে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষিত থাকে এবং টেকসই পর্যটনের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কাপাসিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে গভীর গবেষণা হলে এই জনপদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর হবে।কাপাসিয়া প্রাচীন জনপদের পুনর্জাগরণ — ঐতিহাসিক গৌরব থেকে আধুনিক সম্ভাবনার যাত্রা

— তৌফিক সুলতান

ইতিহাসের গহিনে ডুব দিলে কাপাসিয়ার পরিচয় মেলে এক সমৃদ্ধ ও উর্বর জনপদ হিসেবে, যার নামের উৎপত্তি কার্পাস তুলা থেকে। একসময় এই অঞ্চল ছিল প্রাচীন মসলিন বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যার বাণিজ্যিক সংযোগ বিস্তৃত ছিল গ্রিক সভ্যতা থেকে আরব বিশ্ব পর্যন্ত। সময়ের করাল গ্রাসে সেই ঐতিহাসিক গৌরব আজ অনেকটাই ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ। অথচ এই মাটিই জন্ম দিয়েছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের—স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ থেকে শুরু করে সংবিধান প্রণেতা ফকির শাহাবুদ্দীনের মতো প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কদের। এমন এক গৌরবময় ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও পরিহাসের বিষয় হলো, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর ও কালিয়াকৈর পৌরসভার মর্যাদা পেলেও কাপাসিয়া আজও উপজেলা হিসেবেই রয়ে গেছে, যেখানে উন্নয়নের বহু সম্ভাবনা এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।

কাপাসিয়ার প্রাণবন্ত সত্তা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে। শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদের মিলন এই জনপদকে দিয়েছে অনন্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য। ধাঁধারচরের রহস্যময় সৌন্দর্য হতে পারে পর্যটকদের জন্য এক অনাবিষ্কৃত আকর্ষণ। সুলতানপুর শাহী মসজিদের প্রাচীন স্থাপত্য ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে, আর দলোহাদীর লোহার খনি স্মরণ করিয়ে দেয় প্রাক-ঔপনিবেশিক শিল্প ঐতিহ্যের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। সবুজ-শ্যামল গ্রামীণ পরিবেশ, অসংখ্য দিঘি ও জলাভূমি কাপাসিয়াকে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নের জনপদে পরিণত করেছে। এসব প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পদ যদি সুপরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা যায়, তবে কাপাসিয়া অনায়াসেই দেশের পর্যটন মানচিত্রে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে।

এই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী যে “আকর্ষণীয় পরিকল্পিত পর্যটন নগরী” গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, তা নিছক রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়—বরং এটি কাপাসিয়ার সামগ্রিক উন্নয়নের একটি বাস্তবভিত্তিক রোডম্যাপ। এই রূপকল্প বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ হওয়া উচিত কাপাসিয়াকে পৌরসভার মর্যাদা প্রদান। দীর্ঘদিন ধরে যার জন্য এই জনপদের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। পৌরসভা ভবনের জন্য কাপাসিয়ার প্রাণকেন্দ্র আমরাইদ বা তরুল এলাকাকে নির্বাচন করা সময়ের দাবি, কারণ এই অঞ্চল দুটি ভৌগোলিকভাবে কাপাসিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ এবং এখানে রয়েছে পর্যাপ্ত সরকারি জমি ও গজারি বন। এরপর প্রয়োজন একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, যেখানে পর্যটন, আবাসন, পরিবহন ও পরিবেশ—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে। নদীকেন্দ্রিক পর্যটন কমপ্লেক্স, ঐতিহাসিক স্থাপনার সংরক্ষণ ও প্রদর্শনী কেন্দ্র, এবং ইকো-ট্যুরিজমের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই হতে পারে এই উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল ভিত্তি।


কাপাসিয়াকে পরিকল্পিত ওয়েল্ফশন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে এর অর্থনৈতিক প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সৃষ্টি হবে হাজারো কর্মসংস্থান—হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপনা, পর্যটক গাইড, পরিবহন খাত, হস্তশিল্প উৎপাদন ও বিপণনসহ নানা ক্ষেত্রে। স্থানীয় যুবসমাজের জন্য উন্মুক্ত হবে নতুন পেশাগত দিগন্ত, ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে বেকারত্বের চাপ। কৃষিপণ্য বিপণনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, বাড়বে স্থানীয় রাজস্ব, যা পুনরায় এই জনপদের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তাজউদ্দীন আহমদ ট্রায়াঙ্গেল ধারণাকে কেন্দ্র করে যদি কাপাসিয়া, ঢাকা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহকে সংযুক্ত করে একটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলা যায়, তবে গোটা অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্রই আমূল পরিবর্তিত হতে পারে।

তবে এই পুনর্জাগরণের পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা—এই বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব। স্থানীয় জনগণের মালিকানাভিত্তিক পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তুললে উন্নয়নের সুফল সরাসরি সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছাবে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষিত থাকে এবং টেকসই পর্যটনের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কাপাসিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে গভীর গবেষণা হলে এই জনপদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর হবে।

মু. সালাহউদ্দিন আইউবী-এর এই অঙ্গীকার কাপাসিয়াবাসীর মনে যে আশার আলো জ্বালিয়েছে, তার বাস্তবায়ন নির্ভর করবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ওপর। কাপাসিয়ার পুনর্জাগরণ কেবল একটি অঞ্চলের উন্নয়ন নয়; এটি হবে বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয়ের এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত। ইতিহাসের পাতায় কার্পাসের সোনালি আঁশ যেমন উজ্জ্বল ছিল, তেমনি উজ্জ্বল হোক কাপাসিয়ার ভবিষ্যৎ—যেখানে অতীতের গৌরব ও বর্তমানের সম্ভাবনা মিলেমিশে গড়ে তুলবে উন্নয়নের নতুন মাইলফলক। সম্মিলিত উদ্যোগই পারে কাপাসিয়াকে বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্রে একটি অনন্য, আকর্ষণীয় ও পরিকল্পিত ওয়েলফশন পর্যটন নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে।








গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) | সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী : জনস্বার্থমূলক প্রশ্নমালা

গাজীপুর–৪ (কাপাসিয়া) | সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী

গাজীপুর–৪ (কাপাসিয়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী ভাইয়ের কাছে জনস্বার্থ, যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে এই প্রশ্নমালাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। সচেতন ভোটার ও তরুণ সমাজের প্রত্যাশা প্রতিফলনই এর মূল উদ্দেশ্য।

ভিশন ও নেতৃত্ব

Q–01 : গাজীপুর–৪ (কাপাসিয়া) আসনকে আপনি আগামী ৫ বছরে কোন অবস্থানে দেখতে চান? এই লক্ষ্য অর্জনে আপনার মূল ভিশন ও অগ্রাধিকার কী?

যুবসমাজ ও কর্মসংস্থান

Q–02 : কাপাসিয়ার বেকার যুবসমাজকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে আপনার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী? স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা তৈরিতে আপনার ভূমিকা কী হবে?

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন

Q–03 : মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আপনার বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ কী?

দুর্নীতি ও সুপারিশমুক্ত ব্যবস্থা

Q–04 : চাকরি, শিক্ষা ও সরকারি সেবায় দুর্নীতি ও সুপারিশ বন্ধে আপনার অবস্থান ও কার্যকর পদক্ষেপ কী হবে?

বিদেশগামী কর্মীদের সুরক্ষা

Q–05 : বিদেশগামী কর্মীরা যেন দালাল, অতিরিক্ত খরচ ও হয়রানি ছাড়া বৈধভাবে বিদেশ যেতে পারে— এ বিষয়ে আপনার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা কী?

স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা

Q–06 : কাপাসিয়ায় আধুনিক হাসপাতাল, ২৪ ঘণ্টার জরুরি সেবা ও মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়নে আপনার প্রতিশ্রুতি কী?
Q–07 : মাদক, কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে আপনার প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ কী হবে?

অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন

Q–08 : গ্রামীণ রাস্তা, ড্রেনেজ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে আপনার সময়ভিত্তিক পরিকল্পনা কী?
Q–09 : কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও স্থানীয় পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আপনি কী পদক্ষেপ নেবেন?

নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা

Q–10 : নির্বাচিত হলে জনগণের কাছে আপনার কাজের জবাবদিহিতা কীভাবে নিশ্চিত করবেন? নিয়মিত গণশুনানি বা ওপেন ফোরাম করবেন কি?
Q–11 : সুন্নাহভিত্তিক নৈতিকতা, ইনসাফ (ন্যায়বিচার) ও মানবিক মূল্যবোধকে আপনি রাজনীতিতে কীভাবে বাস্তবায়ন করতে চান?

এক বাক্যের অঙ্গীকার

Q–12 : কেন গাজীপুর–৪ (কাপাসিয়া) এলাকার একজন ভোটার আপনাকে সংসদ সদস্য হিসেবে বেছে নেবে— এক বাক্যে আপনার অঙ্গীকার কী?

প্রতিবেদন ও প্রশ্নমালা প্রস্তুতকরণ : তৌফিক সুলতান
উদ্দেশ্য : জনস্বার্থ, স্বচ্ছ রাজনীতি ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলা

Welftion Love Of Welfare
 দৈনিক অনুসন্ধান

Welftion Love Of Welfare : প্রিয় সুহৃদ,  নতুন প্রজন্মের আগ্রহী লেখকদের প্রতি অনুরোধ, আমাদের কাছে লেখা পাঠিয়ে দুই সপ্তাহ থেকে তিন মাস অপেক্ষা করুন। একই লেখা একাধিক জায়গায় পাঠানো হলে কিংবা প্রকাশিত হলে আমরা সেই লেখককে আর গ্রহণ না করতে বাধ্য হবো। আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com ,
editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com 
দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ



 📢 দৃষ্টি আকর্ষণ লেখা পাঠান~ ✉ editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com towfiqsultan.help@gmail.com
DA





  DA
লেখা পাঠান~ ✉ editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com towfiqsultan.help@gmail.com 
 
আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com , editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ। সংবাদ দৈনিক অনুসন্ধান - ওয়েল্ফশন নিউজ আপডেট - Welftion Welfare Educational Leaders Friendly Trusted Investigation Organization Network. সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক... নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন- editorial.tdse@gmail.com লেখার সাথে আপনার নাম ঠিকানা, যোগাযোগ নাম্বার যুক্ত করে দিয়েন- সম্ভব হলে নিজের ছবি + লেখার সাথে মানানসই ছবি। ইংরেজি লেখা পাঠাতে ও এই ই-মেইল টি ব্যাবহার করতে পারেন। ✉️ই-মেইল: editorial.tdse@gmail.com - ধন্যবাদ 📧 towfiqsultan.help@gmail.com
📰 নিউজ
🔹 নতুন পোস্ট: "ওয়ার্ল্ড অফ নলেজ – জ্ঞানের জগৎ" প্রি-অর্ডার চলছে । | ✍ লেখক: তৌফিক সুলতান । | 📚 রকমারি ও বিডি বুকসে পাওয়া যাচ্ছে । • আরও খবর দেখুন ব্লগে...
কাপাসিয়াপ্রাচীন জনপদের পুনর্জাগরণ ও পরিকল্পিত পর্যটন নগরীর স্বপ্ন

কাপাসিয়াপ্রাচীন জনপদের পুনর্জাগরণ ও পরিকল্পিত পর্যটন নগরীর স্বপ্ন


ঐতিহাসিক গৌরব থেকে আধুনিক সম্ভাবনার যাত্রা


ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, কাপাসিয়া শুধু একটি ভৌগোলিক অবস্থান নয়, এটি বাংলার সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসের এক সজীব অধ্যায়। কার্পাস (তুলা) চাষের ঐতিহ্য থেকে এই জনপদের নামকরণ হওয়া কাপাসিয়া, যা প্রমাণ করে এই অঞ্চল কৃষি ও বস্ত্র শিল্পে কতটা সমৃদ্ধ ছিল। মসলিন বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে এর গৌরবময় অতীত আজও ইতিহাসবিদদের গবেষণার বিষয়। কিন্তু সময়ের প্রবাহে এই ঐতিহ্যবাহী জনপদটি ধীরে ধীরে উন্নয়নের আলো থেকে দূরে সরে গেছে।

নেতৃত্বের জন্মভূমি, কিন্তু অবহেলিত উন্নয়ন

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি তাজউদ্দীন আহমদ, বীর প্রতীক আবদুল বাতেন খান, সংবিধান প্রণেতা ফকির শাহাবুদ্দীনসহ অসংখ্য গুণীজনের জন্মভূমি এই কাপাসিয়া। রাজনীতি, প্রশাসন, আইন – সকল ক্ষেত্রে কাপাসিয়ার সন্তানরা উজ্জ্বল ভূমিকা রাখলেও অবাক করার বিষয় হলো, এই উপজেলা আজও পৌরসভার মর্যাদা পায়নি। একই জেলার শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, কালিগঞ্জ যখন পৌরসভায় রূপান্তরিত হয়েছে, কাপাসিয়া রয়ে গেছে পিছিয়ে।

পর্যটনের অপার সম্ভাবনা: প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পদ

কাপাসিয়ার পর্যটন সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:

প্রাকৃতিক সম্পদ:

· শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদের অপূর্ব সঙ্গম
· ধাঁধারচরের রহস্যময় সৌন্দর্য
· একাধিক বড় দিঘি ও জলাভূমি
· সবুজ-শ্যামল গ্রামীণ পরিবেশ

ঐতিহাসিক সম্পদ:

· সুলতানপুর শাহী মসজিদ (ঐতিহাসিক স্থাপত্য)
· দলোহাদীর লোহার খনি (প্রাক-ঔপনিবেশিক শিল্প ঐতিহ্য)
· তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতিকেন্দ্র
· প্রাচীন কার্পাস চাষের ঐতিহ্য স্থান

সাংস্কৃতিক সম্পদ:

· স্থানীয় কারুশিল্প ও হস্তশিল্প
· লোকজ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
· ঐতিহ্যবাহী কৃষি পদ্ধতি

মু. সালাহউদ্দিন আইউবী-এর রূপকল্প: একটি পরিকল্পিত পর্যটন নগরী

গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী-এর অঙ্গীকার শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, এটি কাপাসিয়ার জন্য একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন রোডম্যাপ। তাঁর "আকর্ষণীয় পরিকল্পিত পর্যটন নগরী" গড়ে তোলার ধারণা কাপাসিয়ার সমস্ত সম্ভাবনাকে একটি সুসংহত কাঠামোতে গুছিয়ে তোলার পরিকল্পনা।

পুনর্জাগরণের রোডম্যাপ: ধাপে ধাপে উন্নয়ন

প্রথম ধাপ: অবকাঠামোগত উন্নয়ন

· যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল উন্নয়ন (সড়ক, নৌপথ)
· বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন
· ডিজিটাল কানেক্টিভিটি নিশ্চিতকরণ

দ্বিতীয় ধাপ: পর্যটন সুবিধা সৃষ্টি

· নদীকেন্দ্রিক পর্যটন কমপ্লেক্স
· ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ ও প্রদর্শনী কেন্দ্র
· ইকো-ট্যুরিজম ও কৃষিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা
· আবাসন ও হোটেল ব্যবস্থার উন্নয়ন

তৃতীয় ধাপ: অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড

· স্থানীয় পণ্যের বিপণন ও বিপণন কেন্দ্র
· ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উন্নয়ন
· প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন (পর্যটন, হসপিটালিটি)

চতুর্থ ধাপ: সামাজিক উন্নয়ন

· শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন
· যুব ও নারী উন্নয়ন কর্মসূচি
· সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ

বেকারত্ব দূরীকরণ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি

কাপাসিয়াকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে যে অর্থনৈতিক সুবিধাগুলো আসবে:

· প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান: হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ট্রান্সপোর্ট, গাইডিং
· পরোক্ষ কর্মসংস্থান: হস্তশিল্প, কৃষিপণ্য বিপণন, স্থানীয় পণ্য উৎপাদন
· যুব উদ্যোক্তা সৃষ্টি: পর্যটন সম্পর্কিত নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ
· স্থানীয় রাজস্ব বৃদ্ধি: যা পুনরায় স্থানীয় উন্নয়নে বিনিয়োগ করা যাবে

চ্যালেঞ্জ ও সমাধান

চ্যালেঞ্জ:

১. অবৈধ দখল দূরীকরণ
২. পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা
৩. স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ
৪. পর্যাপ্ত বিনিয়োগ আকর্ষণ

সমাধান:

১. সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেল
২. স্থানীয় জনগণের মালিকানাভিত্তিক পর্যটন ব্যবস্থা
৩. পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা
৪. জাতীয় পর্যটন নীতির সঙ্গে সমন্বয়

সুপারিশমালা

১. অবিলম্বে পৌরসভার মর্যাদা প্রদান: কাপাসিয়ার উন্নয়নের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পৌরসভার মর্যাদা দেয়া জরুরি।

২. সমন্বিত মাস্টারপ্লান প্রণয়ন: পর্যটন, আবাসন, পরিবহন ও পরিবেশের সমন্বয়ে একটি ব্যাপক পরিকল্পনা।

৩. তাজউদ্দীন আহমদ ট্রায়াঙ্গেল গড়ে তোলা: কাপাসিয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা-গাজীপুর-ময়মনসিংহ অঞ্চলে একটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল ঘোষণা।

৪. বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের গবেষণা: কাপাসিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে একাডেমিক গবেষণা প্রকল্প।

৫. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: ইউএনডিপি, বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা নেয়া।

 আশার নতুন আলো

মু. সালাহউদ্দিন আইউবী-এর এই অঙ্গীকার কাপাসিয়াবাসীর মনে যে আশার আলো জ্বেলেছে, তা শুধু নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এর জন্য প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা এবং ব্যাপক সামাজিক ঐকমত্য।

কাপাসিয়ার পুনর্জাগরণ শুধু একটি উপজেলার উন্নয়ন নয়, এটি হবে বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্য আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয়ের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে কাপাসিয়া যদি সত্যিই একটি পরিকল্পিত পর্যটন নগরীতে রূপান্তরিত হয়, তবে তা হবে গোটা দেশের জন্য একটি মডেল উন্নয়ন প্রকল্প।

ইতিহাসের পাতায় কার্পাসের সোনালি আঁশের মতোই কাপাসিয়ার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হোক – এই প্রত্যাশা সকল কাপাসিয়াবাসীসই দেশবাসীর। মু. সালাহউদ্দিন আইউবী-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে কাপাসিয়াকে পর্যটন মানচিত্রে নতুন স্থান দিতে।




Welftion Love Of Welfare
 দৈনিক অনুসন্ধান

Welftion Love Of Welfare : প্রিয় সুহৃদ,  নতুন প্রজন্মের আগ্রহী লেখকদের প্রতি অনুরোধ, আমাদের কাছে লেখা পাঠিয়ে দুই সপ্তাহ থেকে তিন মাস অপেক্ষা করুন। একই লেখা একাধিক জায়গায় পাঠানো হলে কিংবা প্রকাশিত হলে আমরা সেই লেখককে আর গ্রহণ না করতে বাধ্য হবো। আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com ,
editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com 
দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ



 📢 দৃষ্টি আকর্ষণ লেখা পাঠান~ ✉ editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com towfiqsultan.help@gmail.com
DA





  DA
লেখা পাঠান~ ✉ editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com towfiqsultan.help@gmail.com 
 
আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com , editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ। সংবাদ দৈনিক অনুসন্ধান - ওয়েল্ফশন নিউজ আপডেট - Welftion Welfare Educational Leaders Friendly Trusted Investigation Organization Network. সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক... নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন- editorial.tdse@gmail.com লেখার সাথে আপনার নাম ঠিকানা, যোগাযোগ নাম্বার যুক্ত করে দিয়েন- সম্ভব হলে নিজের ছবি + লেখার সাথে মানানসই ছবি। ইংরেজি লেখা পাঠাতে ও এই ই-মেইল টি ব্যাবহার করতে পারেন। ✉️ই-মেইল: editorial.tdse@gmail.com - ধন্যবাদ 📧 towfiqsultan.help@gmail.com
📰 নিউজ
🔹 নতুন পোস্ট: "ওয়ার্ল্ড অফ নলেজ – জ্ঞানের জগৎ" প্রি-অর্ডার চলছে । | ✍ লেখক: তৌফিক সুলতান । | 📚 রকমারি ও বিডি বুকসে পাওয়া যাচ্ছে । • আরও খবর দেখুন ব্লগে...

মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫

মু. সালাহউদ্দিন আইউবীর অঙ্গীকারগুলো সত্যিই প্রশংসনীয়

মু. সালাহউদ্দিন আইউবীর অঙ্গীকারগুলো সত্যিই প্রশংসনীয়

মু. সালাহউদ্দিন আইউবীর অঙ্গীকারগুলো সত্যিই প্রশংসনীয়
মু. সালাহউদ্দিন আইউবীর অঙ্গীকারগুলো সত্যিই প্রশংসনীয়




মতামত – তৌফিক সুলতান

শুভকামনা রইলো। মু. সালাহউদ্দিন আইউবীর অঙ্গীকারগুলো সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, কাপাসিয়ায় বেকারত্ব দূরীকরণ এবং যুবসমাজকে কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার জন্য তিনি যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, তা কেবল নির্বাচনী অঙ্গীকারের সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন, স্থানীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দিকে একটি সুসংগঠিত ও সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ।

কাপাসিয়া, গাজীপুর-৪ আসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এখানে বেকারত্ব, নিরাপত্তাহীনতা, নারীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা, স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতা—এসব সমস্যা সাধারণ মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করছে। এমন অবস্থায় যদি একজন নীতিনির্ধারক এমন অঙ্গীকার দেন যা সবমিলিয়ে সমগ্র এলাকার মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে, তবে তা কেবল ভোটের সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি এলাকার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের একটি বাস্তব এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা উচিত।

কৃষি উন্নয়ন ও কৃষক সুরক্ষা:
মু. সালাহউদ্দিন আইউবী কৃষক সম্প্রদায়ের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও সেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি মূলত কৃষির উপর নির্ভরশীল, এবং কাপাসিয়াও তার ব্যতিক্রম নয়। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণে অসুবিধার মুখোমুখি হন। আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা, যেমন কোল্ড স্টোরেজ, সঠিক বাজারজাতকরণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হলে কৃষকের আয় বাড়বে, বর্জ্য কমবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এটি শুধু কৃষককে সশক্ত করবে না, বরং সমগ্র এলাকার অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করবে।

কৃষি উন্নয়নের পাশাপাশি বাজারে সমন্বিত সহযোগিতা ও সমর্থন প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করলে স্থানীয় কৃষি পণ্য আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে। এতে কাপাসিয়ার কৃষকরা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে, যা এলাকার অর্থনৈতিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি করবে।

সমাজে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠা:
মু. সালাহউদ্দিন আইউবী অমুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য সমান নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একটি সমাজের স্থায়িত্ব ও শান্তি নির্ভর করে নাগরিকদের মধ্যে সমতার অনুভূতির উপর। যখন সমাজের সমস্ত মানুষ নিরাপদ এবং সমানাধিকার পায়, তখন তারা সক্রিয়ভাবে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হয়।

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধর্ষণ ও নারীর প্রতি নির্যাতনের ক্ষেত্রে ফ্রি আইনি সহায়তা প্রদান করা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। নারীর নিরাপত্তা এবং আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হবে। নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের সমাজে সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করলে যুব ও মহিলা শক্তির সমন্বিত বিকাশ হবে।

স্বাস্থ্যসেবা ও জনসেবা:
কাপাসিয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের দৈন্যদশা দূর করার অঙ্গীকার একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। জনগণ প্রায়শই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতির কারণে সমস্যার সম্মুখীন হন। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা মানে শুধু রোগ নিরাময় নয়, বরং সুস্থ, সক্ষম এবং উৎপাদনশীল সমাজ গঠন করা। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত ও প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং জরুরি পরিষেবার সঠিক প্রণালী বাস্তবায়ন করলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের পাশাপাশি প্রয়োজন স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি। জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদান, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সচেতন কার্যক্রমের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য ও সুস্থতার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা সম্ভব। এটি বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং নারী জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিদেশগামী প্রবাসী ও যুবসমাজের কল্যাণ:
বিদেশগামী ভাই-বোনদের জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দালালদের হয়রানি থেকে রক্ষা করার উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি বড় অংশ প্রবাসী মানুষের পাঠানো রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল। প্রবাসীদের সুরক্ষা, তথ্য এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ প্রদান করলে তাদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং তারা আরও নিরাপদে ও সুবিন্যস্তভাবে বিদেশে অবস্থান করতে পারবে।

তাছাড়া, যুবসমাজের জন্য বিনামূল্যে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্যোগ তাদের আত্মনির্ভর ও সৃজনশীল করে তুলবে। এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি কেবল তাদের জীবিকাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে না, বরং স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন উদ্যোগ, স্টার্টআপ এবং সামাজিক উদ্ভাবনও জন্ম দেবে।

সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা:
চুরি, দখলবাজি, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত কাপাসিয়ার অঙ্গীকার একটি সুদূরপ্রসারী নীতি নির্দেশ করে। নিরাপদ পরিবেশের মাধ্যমে মানুষ তাদের জীবন, সম্পদ এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারবে। একটি শান্তিপ্রিয় ও সুরক্ষিত সমাজ যুবশক্তিকে তাদের সময়, শক্তি এবং সৃজনশীলতা সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত করার সুযোগ দেয়।

পর্যটন ও ক্রীড়া:
কাপাসিয়ায় আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং পর্যটনবান্ধব নগরী গড়ার উদ্যোগ একদিকে যুবসমাজকে খেলাধুলার মাধ্যমে শৃঙ্খলাবদ্ধ করবে, অন্যদিকে পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। পর্যটন নগরী হিসেবে কাপাসিয়ার গড়ন স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে সংরক্ষণে সহায়ক হবে। পর্যটন ও ক্রীড়া পরিকাঠামো যুবদের শৃঙ্খলাবদ্ধ, সক্রিয় এবং সমাজে সৃজনশীল অবদান রাখার পথ খুলে দেবে।

বাধ্যতামূলক সেনা প্রশিক্ষণ:
কাপাসিয়ার সকল নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক সেনা প্রশিক্ষণ প্রবর্তনের পরিকল্পনা সমাজে দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা এবং নেতৃত্ব বিকাশে সহায়ক হবে। এটি যুবশক্তিকে আরও সংগঠিত, সাহসী এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধ করবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সুরক্ষা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এবং সামাজিক অস্থিরতার সময় এই প্রশিক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করবে।

সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন ও একত্রিত উদ্যোগ:
যুবসমাজকে একত্রিত করে কল্যাণমূলক কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা—যেমন উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, স্থানীয় উদ্যোগ ও স্বাস্থ্যসেবা—সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। এটি মানুষের মধ্যে সমবায় এবং সহযোগিতার সংস্কৃতি বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সমাজে ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সমতা এবং সামাজিক সংহতি নিশ্চিত করা সম্ভব।

আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মু. সালাহউদ্দিন আইউবীর এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে কাপাসিয়া একটি সমৃদ্ধ, সুশৃঙ্খল এবং কল্যাণমুখী নগরীতে রূপান্তরিত হবে। সমাজে ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সমতা, যুব শক্তির দক্ষ ব্যবহার, নিরাপদ পরিবেশ এবং সামাজিক সংহতি—এসব মিলিতভাবে কাপাসিয়াকে প্রকৃত অর্থে উন্নয়নের পথ দেখাবে।





Welftion Love Of Welfare
 দৈনিক অনুসন্ধান

Welftion Love Of Welfare : প্রিয় সুহৃদ,  নতুন প্রজন্মের আগ্রহী লেখকদের প্রতি অনুরোধ, আমাদের কাছে লেখা পাঠিয়ে দুই সপ্তাহ থেকে তিন মাস অপেক্ষা করুন। একই লেখা একাধিক জায়গায় পাঠানো হলে কিংবা প্রকাশিত হলে আমরা সেই লেখককে আর গ্রহণ না করতে বাধ্য হবো। আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com ,
editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com 
দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ



 📢 দৃষ্টি আকর্ষণ লেখা পাঠান~ ✉ editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com towfiqsultan.help@gmail.com
DA





  DA
লেখা পাঠান~ ✉ editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com towfiqsultan.help@gmail.com 
 
আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com , editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ। সংবাদ দৈনিক অনুসন্ধান - ওয়েল্ফশন নিউজ আপডেট - Welftion Welfare Educational Leaders Friendly Trusted Investigation Organization Network. সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক... নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন- editorial.tdse@gmail.com লেখার সাথে আপনার নাম ঠিকানা, যোগাযোগ নাম্বার যুক্ত করে দিয়েন- সম্ভব হলে নিজের ছবি + লেখার সাথে মানানসই ছবি। ইংরেজি লেখা পাঠাতে ও এই ই-মেইল টি ব্যাবহার করতে পারেন। ✉️ই-মেইল: editorial.tdse@gmail.com - ধন্যবাদ 📧 towfiqsultan.help@gmail.com
📰 নিউজ
🔹 নতুন পোস্ট: "ওয়ার্ল্ড অফ নলেজ – জ্ঞানের জগৎ" প্রি-অর্ডার চলছে । | ✍ লেখক: তৌফিক সুলতান । | 📚 রকমারি ও বিডি বুকসে পাওয়া যাচ্ছে । • আরও খবর দেখুন ব্লগে...

বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

Merit Scholarship Exam – 2025

Merit Scholarship Exam – 2025

Lailee-Siraj Foundation Merit Scholarship Exam 2025
B.J.S.M MODEL COLLEGE

Lailee-Siraj Foundation Merit Scholarship Exam – 2025

Organized by B.J.S.M Model College, Monohardi, Narsingdi

College Code: 3074 | EIIN: 140263 | Established: September 09, 2009

Motto: "Small effort for talent development – Know Thyself"

"Small effort for talent development – Know Thyself"

Your Roll Number: 20091
Your application has been submitted successfully! Admit card has been generated.

Application Form

Student Information

Please enter name correctly in both languages

Address

Enter 11-digit mobile number

ADMIT CARD

Lailee-Siraj Foundation Merit Scholarship Exam - 2025

20091
B.J.S.M Model College, Hatirdia, Monohardi, Narsingdi

Instructions for Examinees

  • Be present at the exam center at the scheduled time
  • No one will be allowed to take the exam without an admit card
  • Bring pen, pencil, eraser, ruler and necessary materials
  • Mobile phones or smart devices are prohibited in the exam hall
  • Complete the exam with discipline and honesty
  • Be present at the exam center 30 minutes before the exam starts




Welftion Love Of Welfare
 দৈনিক অনুসন্ধান

Welftion Love Of Welfare : প্রিয় সুহৃদ,  নতুন প্রজন্মের আগ্রহী লেখকদের প্রতি অনুরোধ, আমাদের কাছে লেখা পাঠিয়ে দুই সপ্তাহ থেকে তিন মাস অপেক্ষা করুন। একই লেখা একাধিক জায়গায় পাঠানো হলে কিংবা প্রকাশিত হলে আমরা সেই লেখককে আর গ্রহণ না করতে বাধ্য হবো। আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com ,
editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com 
দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ



 📢 দৃষ্টি আকর্ষণ লেখা পাঠান~ ✉ editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com towfiqsultan.help@gmail.com
DA





  DA
লেখা পাঠান~ ✉ editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com towfiqsultan.help@gmail.com 
 
আপনার লেখা / ছবি / মতামত / অভিযোগ পাঠান ~ ✉ towfiqsultan.help@gmail.com , editorial.tds@outlook.com , editorial.tdse@gmail.com দৈনিক অনুসন্ধান শেরে বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ। সংবাদ দৈনিক অনুসন্ধান - ওয়েল্ফশন নিউজ আপডেট - Welftion Welfare Educational Leaders Friendly Trusted Investigation Organization Network. সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক... নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন- editorial.tdse@gmail.com লেখার সাথে আপনার নাম ঠিকানা, যোগাযোগ নাম্বার যুক্ত করে দিয়েন- সম্ভব হলে নিজের ছবি + লেখার সাথে মানানসই ছবি। ইংরেজি লেখা পাঠাতে ও এই ই-মেইল টি ব্যাবহার করতে পারেন। ✉️ই-মেইল: editorial.tdse@gmail.com - ধন্যবাদ 📧 towfiqsultan.help@gmail.com
📰 নিউজ
🔹 নতুন পোস্ট: "ওয়ার্ল্ড অফ নলেজ – জ্ঞানের জগৎ" প্রি-অর্ডার চলছে । | ✍ লেখক: তৌফিক সুলতান । | 📚 রকমারি ও বিডি বুকসে পাওয়া যাচ্ছে । • আরও খবর দেখুন ব্লগে...