কাপাসিয়া প্রাচীন জনপদের পুনর্জাগরণ — ঐতিহাসিক গৌরব থেকে আধুনিক সম্ভাবনার যাত্রা
— তৌফিক সুলতান
ইতিহাসের গহিনে ডুব দিলে কাপাসিয়ার পরিচয় মেলে এক সমৃদ্ধ ও উর্বর জনপদ হিসেবে, যার নামের উৎপত্তি কার্পাস তুলা থেকে। একসময় এই অঞ্চল ছিল প্রাচীন মসলিন বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যার বাণিজ্যিক সংযোগ বিস্তৃত ছিল গ্রিক সভ্যতা থেকে আরব বিশ্ব পর্যন্ত। সময়ের করাল গ্রাসে সেই ঐতিহাসিক গৌরব আজ অনেকটাই ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ। অথচ এই মাটিই জন্ম দিয়েছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের—স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ থেকে শুরু করে সংবিধান প্রণেতা ফকির শাহাবুদ্দীনের মতো প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কদের। এমন এক গৌরবময় ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও পরিহাসের বিষয় হলো, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর ও কালিয়াকৈর পৌরসভার মর্যাদা পেলেও কাপাসিয়া আজও উপজেলা হিসেবেই রয়ে গেছে, যেখানে উন্নয়নের বহু সম্ভাবনা এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
কাপাসিয়ার প্রাণবন্ত সত্তা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে। শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদের মিলন এই জনপদকে দিয়েছে অনন্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য। ধাঁধারচরের রহস্যময় সৌন্দর্য হতে পারে পর্যটকদের জন্য এক অনাবিষ্কৃত আকর্ষণ। সুলতানপুর শাহী মসজিদের প্রাচীন স্থাপত্য ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে, আর দলোহাদীর লোহার খনি স্মরণ করিয়ে দেয় প্রাক-ঔপনিবেশিক শিল্প ঐতিহ্যের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। সবুজ-শ্যামল গ্রামীণ পরিবেশ, অসংখ্য দিঘি ও জলাভূমি কাপাসিয়াকে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নের জনপদে পরিণত করেছে। এসব প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পদ যদি সুপরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা যায়, তবে কাপাসিয়া অনায়াসেই দেশের পর্যটন মানচিত্রে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে।
এই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী যে “আকর্ষণীয় পরিকল্পিত পর্যটন নগরী” গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, তা নিছক রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়—বরং এটি কাপাসিয়ার সামগ্রিক উন্নয়নের একটি বাস্তবভিত্তিক রোডম্যাপ। এই রূপকল্প বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ হওয়া উচিত কাপাসিয়াকে পৌরসভার মর্যাদা প্রদান। দীর্ঘদিন ধরে যার জন্য এই জনপদের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। পৌরসভা ভবনের জন্য কাপাসিয়ার প্রাণকেন্দ্র আমরাইদ বা তরুল এলাকাকে নির্বাচন করা সময়ের দাবি, কারণ এই অঞ্চল দুটি ভৌগোলিকভাবে কাপাসিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ এবং এখানে রয়েছে পর্যাপ্ত সরকারি জমি ও গজারি বন। এরপর প্রয়োজন একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, যেখানে পর্যটন, আবাসন, পরিবহন ও পরিবেশ—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে। নদীকেন্দ্রিক পর্যটন কমপ্লেক্স, ঐতিহাসিক স্থাপনার সংরক্ষণ ও প্রদর্শনী কেন্দ্র, এবং ইকো-ট্যুরিজমের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই হতে পারে এই উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল ভিত্তি।
কাপাসিয়াকে পরিকল্পিত ওয়েল্ফশন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে এর অর্থনৈতিক প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সৃষ্টি হবে হাজারো কর্মসংস্থান—হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপনা, পর্যটক গাইড, পরিবহন খাত, হস্তশিল্প উৎপাদন ও বিপণনসহ নানা ক্ষেত্রে। স্থানীয় যুবসমাজের জন্য উন্মুক্ত হবে নতুন পেশাগত দিগন্ত, ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে বেকারত্বের চাপ। কৃষিপণ্য বিপণনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, বাড়বে স্থানীয় রাজস্ব, যা পুনরায় এই জনপদের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তাজউদ্দীন আহমদ ট্রায়াঙ্গেল ধারণাকে কেন্দ্র করে যদি কাপাসিয়া, ঢাকা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহকে সংযুক্ত করে একটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলা যায়, তবে গোটা অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্রই আমূল পরিবর্তিত হতে পারে।
তবে এই পুনর্জাগরণের পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা—এই বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব। স্থানীয় জনগণের মালিকানাভিত্তিক পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তুললে উন্নয়নের সুফল সরাসরি সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছাবে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষিত থাকে এবং টেকসই পর্যটনের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কাপাসিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে গভীর গবেষণা হলে এই জনপদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর হবে।কাপাসিয়া প্রাচীন জনপদের পুনর্জাগরণ — ঐতিহাসিক গৌরব থেকে আধুনিক সম্ভাবনার যাত্রা
— তৌফিক সুলতান
ইতিহাসের গহিনে ডুব দিলে কাপাসিয়ার পরিচয় মেলে এক সমৃদ্ধ ও উর্বর জনপদ হিসেবে, যার নামের উৎপত্তি কার্পাস তুলা থেকে। একসময় এই অঞ্চল ছিল প্রাচীন মসলিন বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যার বাণিজ্যিক সংযোগ বিস্তৃত ছিল গ্রিক সভ্যতা থেকে আরব বিশ্ব পর্যন্ত। সময়ের করাল গ্রাসে সেই ঐতিহাসিক গৌরব আজ অনেকটাই ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ। অথচ এই মাটিই জন্ম দিয়েছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের—স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ থেকে শুরু করে সংবিধান প্রণেতা ফকির শাহাবুদ্দীনের মতো প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কদের। এমন এক গৌরবময় ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও পরিহাসের বিষয় হলো, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর ও কালিয়াকৈর পৌরসভার মর্যাদা পেলেও কাপাসিয়া আজও উপজেলা হিসেবেই রয়ে গেছে, যেখানে উন্নয়নের বহু সম্ভাবনা এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
কাপাসিয়ার প্রাণবন্ত সত্তা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে। শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদের মিলন এই জনপদকে দিয়েছে অনন্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য। ধাঁধারচরের রহস্যময় সৌন্দর্য হতে পারে পর্যটকদের জন্য এক অনাবিষ্কৃত আকর্ষণ। সুলতানপুর শাহী মসজিদের প্রাচীন স্থাপত্য ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে, আর দলোহাদীর লোহার খনি স্মরণ করিয়ে দেয় প্রাক-ঔপনিবেশিক শিল্প ঐতিহ্যের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। সবুজ-শ্যামল গ্রামীণ পরিবেশ, অসংখ্য দিঘি ও জলাভূমি কাপাসিয়াকে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নের জনপদে পরিণত করেছে। এসব প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পদ যদি সুপরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা যায়, তবে কাপাসিয়া অনায়াসেই দেশের পর্যটন মানচিত্রে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে।
এই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী যে “আকর্ষণীয় পরিকল্পিত পর্যটন নগরী” গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, তা নিছক রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়—বরং এটি কাপাসিয়ার সামগ্রিক উন্নয়নের একটি বাস্তবভিত্তিক রোডম্যাপ। এই রূপকল্প বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ হওয়া উচিত কাপাসিয়াকে পৌরসভার মর্যাদা প্রদান। দীর্ঘদিন ধরে যার জন্য এই জনপদের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। পৌরসভা ভবনের জন্য কাপাসিয়ার প্রাণকেন্দ্র আমরাইদ বা তরুল এলাকাকে নির্বাচন করা সময়ের দাবি, কারণ এই অঞ্চল দুটি ভৌগোলিকভাবে কাপাসিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ এবং এখানে রয়েছে পর্যাপ্ত সরকারি জমি ও গজারি বন। এরপর প্রয়োজন একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, যেখানে পর্যটন, আবাসন, পরিবহন ও পরিবেশ—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে। নদীকেন্দ্রিক পর্যটন কমপ্লেক্স, ঐতিহাসিক স্থাপনার সংরক্ষণ ও প্রদর্শনী কেন্দ্র, এবং ইকো-ট্যুরিজমের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই হতে পারে এই উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল ভিত্তি।
কাপাসিয়াকে পরিকল্পিত ওয়েল্ফশন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে এর অর্থনৈতিক প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সৃষ্টি হবে হাজারো কর্মসংস্থান—হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপনা, পর্যটক গাইড, পরিবহন খাত, হস্তশিল্প উৎপাদন ও বিপণনসহ নানা ক্ষেত্রে। স্থানীয় যুবসমাজের জন্য উন্মুক্ত হবে নতুন পেশাগত দিগন্ত, ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে বেকারত্বের চাপ। কৃষিপণ্য বিপণনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, বাড়বে স্থানীয় রাজস্ব, যা পুনরায় এই জনপদের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তাজউদ্দীন আহমদ ট্রায়াঙ্গেল ধারণাকে কেন্দ্র করে যদি কাপাসিয়া, ঢাকা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহকে সংযুক্ত করে একটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলা যায়, তবে গোটা অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্রই আমূল পরিবর্তিত হতে পারে।
তবে এই পুনর্জাগরণের পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা—এই বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব। স্থানীয় জনগণের মালিকানাভিত্তিক পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তুললে উন্নয়নের সুফল সরাসরি সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছাবে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষিত থাকে এবং টেকসই পর্যটনের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কাপাসিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে গভীর গবেষণা হলে এই জনপদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর হবে।
মু. সালাহউদ্দিন আইউবী-এর এই অঙ্গীকার কাপাসিয়াবাসীর মনে যে আশার আলো জ্বালিয়েছে, তার বাস্তবায়ন নির্ভর করবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ওপর। কাপাসিয়ার পুনর্জাগরণ কেবল একটি অঞ্চলের উন্নয়ন নয়; এটি হবে বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয়ের এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত। ইতিহাসের পাতায় কার্পাসের সোনালি আঁশ যেমন উজ্জ্বল ছিল, তেমনি উজ্জ্বল হোক কাপাসিয়ার ভবিষ্যৎ—যেখানে অতীতের গৌরব ও বর্তমানের সম্ভাবনা মিলেমিশে গড়ে তুলবে উন্নয়নের নতুন মাইলফলক। সম্মিলিত উদ্যোগই পারে কাপাসিয়াকে বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্রে একটি অনন্য, আকর্ষণীয় ও পরিকল্পিত ওয়েলফশন পর্যটন নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে।
গাজীপুর–৪ (কাপাসিয়া) | সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী
গাজীপুর–৪ (কাপাসিয়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. সালাহউদ্দিন আইউবী ভাইয়ের কাছে জনস্বার্থ, যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরতে এই প্রশ্নমালাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। সচেতন ভোটার ও তরুণ সমাজের প্রত্যাশা প্রতিফলনই এর মূল উদ্দেশ্য।
ভিশন ও নেতৃত্ব
Q–01 :
গাজীপুর–৪ (কাপাসিয়া) আসনকে আপনি আগামী ৫ বছরে কোন অবস্থানে দেখতে চান?
এই লক্ষ্য অর্জনে আপনার মূল ভিশন ও অগ্রাধিকার কী?
যুবসমাজ ও কর্মসংস্থান
Q–02 :
কাপাসিয়ার বেকার যুবসমাজকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে আপনার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী?
স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা তৈরিতে আপনার ভূমিকা কী হবে?
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
Q–03 :
মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আপনার বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ কী?
দুর্নীতি ও সুপারিশমুক্ত ব্যবস্থা
Q–04 :
চাকরি, শিক্ষা ও সরকারি সেবায় দুর্নীতি ও সুপারিশ বন্ধে আপনার অবস্থান ও কার্যকর পদক্ষেপ কী হবে?
বিদেশগামী কর্মীদের সুরক্ষা
Q–05 :
বিদেশগামী কর্মীরা যেন দালাল, অতিরিক্ত খরচ ও হয়রানি ছাড়া বৈধভাবে বিদেশ যেতে পারে—
এ বিষয়ে আপনার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা কী?
স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা
Q–06 :
কাপাসিয়ায় আধুনিক হাসপাতাল, ২৪ ঘণ্টার জরুরি সেবা ও মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়নে আপনার প্রতিশ্রুতি কী?
Q–07 :
মাদক, কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে আপনার প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ কী হবে?
অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন
Q–08 :
গ্রামীণ রাস্তা, ড্রেনেজ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে আপনার সময়ভিত্তিক পরিকল্পনা কী?
Q–09 :
কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও স্থানীয় পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আপনি কী পদক্ষেপ নেবেন?
নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা
Q–10 :
নির্বাচিত হলে জনগণের কাছে আপনার কাজের জবাবদিহিতা কীভাবে নিশ্চিত করবেন?
নিয়মিত গণশুনানি বা ওপেন ফোরাম করবেন কি?
Q–11 :
সুন্নাহভিত্তিক নৈতিকতা, ইনসাফ (ন্যায়বিচার) ও মানবিক মূল্যবোধকে আপনি রাজনীতিতে কীভাবে বাস্তবায়ন করতে চান?
এক বাক্যের অঙ্গীকার
Q–12 :
কেন গাজীপুর–৪ (কাপাসিয়া) এলাকার একজন ভোটার আপনাকে সংসদ সদস্য হিসেবে বেছে নেবে—
এক বাক্যে আপনার অঙ্গীকার কী?


0 coment rios: